Type Here to Get Search Results !

আজ ব্যর্থ হতে চলেছে 'ইন্ডিয়া' জোটের মিটিং

 আজ ব্যর্থ হতে চলেছে 'ইন্ডিয়া' জোটের মিটিং 



  জোট গড়ে তুলতে গেলে যে মানসিকতা দরকার তা কিন্তু নেই এই দলগুলোর মধ্যে। তাই রাজনৈতিক মহল মনে করে 'ইন্ডিয়া' জোট ব্যর্থ হবে। বিজেপি বিরোধী শক্তি। এক ছাতার তলায় এল ২৬টি রাজনৈতিক দল। লোকসভা ভোটে বিজেপির বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করল কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল থেকে ডিএমকে, আপ, সমাজবাদী পার্টি-সহ একাধিক জাতীয় ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল। ভোটের ফলেও তার প্রতিফলন দেখা গেল। বিজেপির ঘাড়ে কার্যত নিঃশ্বাস ফেলেছে ইন্ডিয়া জোট। কাট টু ২০২৬। আজ সেই ইন্ডিয়া জোটেই চওড়া ফাটল। প্রকাশ্যে এসেছে অন্তর্দ্বন্দ্ব। বিজেপির বিরোধিতার পরিবর্তে একে অপরের বিরোধিতায় ব্যস্ত ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলি। অস্তিত্ব রক্ষাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আবহেই আজ দিল্লিতে বৈঠকে বসতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। বিজেপিকে মোকাবিলা করা থেকে শুরু করে সংসদের বাদল অধিবেশনের কৌশল কী হবে, সবকিছু নিয়েই এদিন আলোচনা হবে। কিন্তু, বৈঠকের আগেই দুই শরিক দল পিছু হটেছে। যা আরও অস্বস্তি বাড়িয়েছে বিজেপি বিরোধী শিবিরে। জোটের ভবিষ্যত কী, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


  আজ দিল্লির কন্টিনেন্টাল ক্লাবে INDIA জোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে রাহুল গান্ধী বা মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে বৈঠক হলেও এবার নিরপেক্ষ স্থান বেছে নেওয়া হয়েছে। পাঁচ রাজ্যে ভোটের পর প্রথমবার বৈঠকে বসতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবে তৃণমূলও। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, বৈঠকটি যে সহজ হবে না, তা স্পষ্ট। কংগ্রেসের সঙ্গে ডিএমকের সম্পর্কে ছেদ পড়ায় জোটের শরিকদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এম কে স্টালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে,তাঁরা বৈঠকে অংশ নেবে না। জোটের থেকেও দূরত্ব বাড়িয়েছে তাঁরা। এদিকে, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি (AAP) ইতিমধ্যেই জোট থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে। কংগ্রেসের সঙ্গে মতবিরোধ থাকা সত্ত্বেও সিপিএম বৈঠকে অংশ নেবে।

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ও জোটের নেতৃত্বের প্রশ্নে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। অনেক দলই আশা করেছিল, কংগ্রেসের বাইরে কোনও আঞ্চলিক নেতা INDIA জোটের মুখ হতে পারেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই কংগ্রেসের সমর্থনের প্রয়োজন হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.