Type Here to Get Search Results !

সিবিআইয়ের মাস্টার্স স্টোক-প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুলিশের ভূমিকা

 ধর্ষন ও খুনের মামলায় টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মন্ডল  ও সন্দীপ ঘোষের গ্রেফতারি- প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুলিশের ভূমিকা


ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখার্জি প্রথম দিন থেকেই আরজিকর ধর্ষণ ও খুনের মামলায় বারংবার আরজিকর তদন্ত প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করে কলকাতা পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে সাফাই দিয়ে আসছিলেন। এমনকি স্বয়ং পুলিশ কমিশনার নিজেও বারংবার বলেছেন এই তদন্তে কোনরকম গাফিলতি করা হচ্ছে না। অন্যদিকে জুনিয়র ডাক্তাররা এবং বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছিলেন কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে, তারা সরাসরি কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে দোষারোপ করেছিলেন যে, এভিডেন্স টেম্পারিং করা হয়েছে পুলিশেরই সাহায্যে। এবং সেই কারণেই সমস্ত দায়-দায়িত্ব নিয়ে পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। আজ সিবিআইয়ের গ্রেফতারির এই এত বড় পদক্ষেপ, কলকাতা পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিকে কি নস্যাৎ করে দিল না? তদন্তে গাফিলতি ও তথ্য প্রমান লোপাটের জন্য টালা থানার তৎকালীন ওসিকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল। বলা যেতে পারে অবশেষে সিবিআই সাধারণ মানুষ,বিরোধী এবং জুনিয়র ডাক্তারদের যে দাবি ছিল শুধুমাত্র একজনই নয় এই কাণ্ডে প্রমাণ লোপাট করা হয়েছে বলে, অনেকেই দোষী। আগামী মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানির আগে সিবিআইয়ের আজকের এই বড় পদক্ষেপ,এক কথায় বেনজির পদক্ষেপ । আশঙ্কা করা হচ্ছে আগামীকাল সিবিআই এর তরফ থেকে আরো বড় কিছু চমক হয়তো অপেক্ষা করে রয়েছে। এর ফলে চরম অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশের দাবি সিবিআইয়ের এই দুই গ্রেফতারির খবর আগেই পেয়ে গেছিলেন কালীঘাটে বসে থাকা প্রশাসনিক কর্তারা,সেই কারণেই  তারা জুনিয়র ডাক্তারদের সাথে বৈঠক শেষ মুহুর্তে বাতিল করেন কালীঘাট। এক কথায় বলা যেতেই পারে আর জি কর ধর্ষণ খুনের মামলা এক অন্যদিকে মোড় নিল এই গ্রেফতারির ফলে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.