Type Here to Get Search Results !

ভগীরথপুরের সাখিনা খাতুনের এক অনন্য লড়াইয়ের কাহিনী

অফবিট ভগীরথপুরের সাখিনা খাতুনের এক অনন্য লড়াইয়ের কাহিনী
জীবনে বেঁচে থাকতে হলে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে। সেই মন্ত্রের উপর ভরসা রেখে সখিনা নেমেছে জীবনযুদ্ধে। ডোমকলের ভগীরথপুরের বছর পয়ত্রিশের সাখিনা খাতুন। ক্ষিদের জ্বালা মেটাতে দুই বোনের কানের দুল বন্ধক রেখেছেন। আত্মীয়দের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে একজনের থেকে টোটো কিনে পথে নেমেছেন সাখিনা। কিন্তু তাতেও বাদ সাধছে পুরনো টোটো মালিকের চালাকি। কারণ টোটোর ব্যাটারি ভালো নয়। দিনে দুই ক্ষেপ ভাড়া খাটার পর আর চলে না। ফলে আয়ও ভালো হয়না। সখিনার আক্ষেপ তার সঙ্গে প্রতারনা করে তাকে টোটো বিক্রি করেছে। তবে সখিনা কিন্তু থেমে যায় নি। খুবই খেদের সঙ্গে সখিনা জানায়, “ ব্যাটারিটা ভালো থাকলে চার-পাঁচ ক্ষেপ ভাড়া খাটা যেত। তাহলে সংসার চালাতে সুবিধা হত। এখন যেভাবে চলছি তাতে চাল-ডালের সমস্যাই মিটছে না। আবার ঋণ শোধেও হাতই দিতে পারছি না।” এই অবস্থায় তিনি চাইছেন আরো কিছু সাহায্য। ব্যাটারি নতুন হলে সত্যি সাখিনা খাতুনের অনেক সমস্যা মিটবে। কিন্তু গ্রামের রাস্তায় সাখিনার টোটো চালানো কতটা নিরাপদ তা নিয়ে আশঙ্কা অনেকের। যদিও সাখিনা ও তাঁর দিদি তাহমিনা বিবির কথায়, “জানি সমস্যা অনেক। তাই বলে তো আর বাড়িতে বসে থেকে না খেয়ে মরতে পারি না।” চলছে সখিনার জীবনের যুদ্ধ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.