Type Here to Get Search Results !

পুজোর আগমনী ঘণ্টা বাজার সাথে সাথে চুরান্ত ব্যস্ততা চোখে পড়ল কুমোরটুলিতে

 পুজোর আগমনী ঘণ্টা বাজার সাথে সাথে চুরান্ত ব্যস্ততা চোখে পড়ল কুমোরটুলিতে






মায়ের প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা, আকাশে বাতাসে পুজোর গন্ধ লেগেছে। আর শরৎ মানেই উমার আগমন। কাশফুল আর পেঁজা তুলোর মতো মেঘ যেন জানান দিচ্ছে মা আসছেন। হাতে আর মাত্র কয়েকটি দিন, তারপর আপামর বাঙালি মেতে উঠবে মা এর আগমনে, মেতে উঠবে আনন্দ উৎসবে, মেতে উঠবে নতুন নতুন সাজ পোশাকে। বাঙালির ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ এর মধ্যে সবথেকে বড় পার্বণ হিসাবে দুর্গা পুজার নামই প্রথম সারিতে।


পুজোর আগমনী ঘণ্টা বাজার সাথে সাথে চুরান্ত ব্যস্ততা চোখে পড়ল কুমোরটুলিতে। নাওয়া-খাওয়া ভুলে ইতিমধ্যে কুমোরটুলির প্রায় সকল প্রতিমা শিল্পীদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। দেবী দূর্গার অনিন্দ্যসুন্দর রূপ দিতে দিনরাত চলছে কাজ। ইতিমধ্যেই প্রতিমার মাটির কাজ প্রায় শেষ পযার্য়ে রয়েছে। এরপর শুরু হবে রং ও সাজসজ্জার কাজ। জলপাইগুড়ির বিভিন্ন মৃৎশিল্পীদের পাড়াতে এখন প্রতিমা নির্মাণ কারখানায় ঘুরে দেখা মিলল প্রতিমা তৈরির প্রস্তুতি চলছে। প্রতিমা নির্মাণ কারখানায় এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। প্রায় সবাই ব্যস্ত দুর্গা প্রতিমা তৈরির কাজে। নাওয়া খাওয়া ভুলেছেন প্রতিমা শিল্পীরা। উমা আসছে। তাই ব্যস্ততা বেড়েছে মুজনাই এর প্রতিমা নির্মাণ কারখানায়। শিল্পী থেকে সহকারী সবাই খুব ব্যস্ত। দক্ষ হাতের ছোঁয়াতেই ফুটে ওঠে মহামায়ার মৃন্ময়ী রূপ।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.