Type Here to Get Search Results !

বিধাননগর পুলিশ এবার হয়ে উঠলেন ফেলু দা

 অফবিট 


বিধাননগর পুলিশ এবার হয়ে উঠলেন ফেলু দা 



   এমনইতে নানা কারণে বাংলার পুলিশ সম্পর্কে অনেক বদনাম হচ্ছে। কিন্তু সাফল্য কম নেই। একটা দারুন সাফল্য আসলো বিধাননগর পুলিশের হাতে। বিজ্ঞানকে হাতিয়ার করে প্রতারনা। এর পরিভাষাক নাম 

'রাইস পুলিং স্ক্যাম'। বিষয়টা হলো একটা তোমার পাত্রে আরেকটা তোমার পাত্র রেখে তার নিচে লাগানো থাকে একটা চুম্বক। আর এর সাহায্যেই সেই তোমার পাত্রে চাল রাখলে তা ঘুরতে থাকে। ব্যাস, এভাবেই অন্ধ কুসংস্কার আচ্ছন্ন মানুষকে প্রতারনা করা হয়। তেমনই এক স্ক্যাম ধরে ফেললো বিধাননগর পুলিশ। জানা যাচ্ছে, এই মাসের তিন তারিখে বিধাননগর পুলিশের এনএসসিবিআই এয়ারপোর্ট থানায় একটি অপহরণের অভিযোগ দায়ের হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ত্রিপুরা থেকে ৫ জন ব্যক্তি কলকাতা বিমানবন্দরে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে দুজনকে অপহরণ করা হয়। সম্পর্কে তারা আবার শ্বশুর-জামাই।


  তদন্তে নেমে বিধাননগর থানার পুলিশ জানতে পারে তাদের বিধাননগর অঞ্চলেই এই হোটেলে আটকে রাখা হয়েছে। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে প্যালিস তদন্ত শুরু করে জানতে পারেন বেলঘরিয়া অঞ্চলের জনৈক সুজয় চট্টোপাধ্যায় এর সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ সুজয়কে গ্রেফতার করে আরও আশ্চর্য হয়ে যায়। কারণ সুজয় নিজে এভাবে প্রতারিত। প্রতারণার অঙ্কটা প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা। কিন্তু, আসল ঘটনা তাহলে কী? পুলিশ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদেই রাইস পুলিং স্ক্যামের কথা জানা যায়। ধৃত সুজয় বলছেন, একটা তামার পাত্রে (বাটির মতো) চাল রাখা থাকে। আপনাকে দেখানো হবে সেই চাল চলছে। আর তার নেপথ্যে ওই শক্তিশালী তামার পাত্র। তার কারণেই এমনটা হচ্ছে। এটা বাড়িতে রাখলে সৌভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকবে। উন্নতি কেউ ঠেকাতে পারবে না। এমনলোভ দেখিয়ে শুরু হয় প্রতারনা। আসলে সবটাই করছে এর নিচে থাকা একটা চুম্বক। পুলিশ সুজয়ের পাশাপাশি বাকি দুই অপহৃতকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এর পিছনে বড় কোনও চক্র রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন তদন্ত চলছে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.