Type Here to Get Search Results !

শনিবার রাতে নয়া দিল্লি রেল স্টেশনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা

 শনিবার রাতে নয়া দিল্লি রেল স্টেশনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা 



  আবার কুম্ভমেলায় যাওয়া পূন্যার্থীদের মর্মান্তিক মৃত্যু। শনিবার রাতে নয়া দিল্লি রেল স্টেশনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মহাকুম্ভে রওনা হওয়ার জন্য হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হয়ে দুর্ঘটনা। দিল্লি পুলিশ সূত্রে রবিবার সকালের শেষ পাওয়া আপডেট অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। রেল প্রশাসন আদৌ কী আছে? আছে কী দিল্লি সরকার? তা নাহলে এমন ঘটনা ঘটে কী করে? জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে রয়েছেন নয় জন মহিলা, পাঁচ জন শিশু ও চার জন পুরুষ। এর মধ্যে রাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। পরে বাকি তিনজনের মৃত্যু হয় হাসপাতালে। উল্লেখ্য, কুম্ভমেলা প্রাঙ্গনে গত ২৯ জানুয়ারি পদপিষ্টের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৩ জন। শনিবার আবার কুম্ভমেলার বেশ কয়েকটি তাঁবুতে আগুন লেগে যায়। সব মিলিয়ে এবারের মহাকুম্ভ অভিশপ্ত হয়ে রইলো।


  রেলের তরফে আপডেট-এ মাত্রাতিরিক্ত ভিড়কেই এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা হলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রেল স্টেশনে কোনও চেকিং ছিল না। ভিড় নিয়ন্ত্রণেরও কোনও ব্যবস্থা ছিল না। মাত্রাতিরিক্ত ভিড়ে ঠাসা প্ল্যাটফর্মে একেবারে দমবন্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এরই মাঝে রাত দশটা নাগাদ আচমকা ট্রেনের প্ল্যাটফর্ম বদলের ঘোষণায় একেবারে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তাতেই ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গিয়ে পদপিষ্ট হন বহু মানুষ। ১৮ জনের মৃত্যুর খবর ছাড়াও বহু মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃতদের মধ্যে সবথেকে বয়স্ক বিহারের আহা দেবী, বয়স ৭৯ বছর। সাত বছর বয়সি রিয়া সিং, মৃতদের মধ্যে কনিষ্ঠ। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই বিহারের বাসিন্দা, আট জন দিল্লির, একজন হরিয়ানার বাসিন্দা।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.