Type Here to Get Search Results !

যাদবপুর নিয়ে রবিবার বিকেলে ব্রাত্য কী বললেন?

 যাদবপুর নিয়ে রবিবার বিকেলে ব্রাত্য কী বললেন?



   তিনি জানান, যাদবপুরে বাইরের ৫০০ লোক নিয়ে ঢোকা কোনো ব্যাপার ছিল না। কিন্তু তিনি তা চান নি। কিন্তু নাগরিক মহলের প্রশ্ন শনিবার বেশ কয়েকশো' বাইরের ছেলে ছিল। তারা কারা? সেটা নিয়ে অবশ্য শিক্ষামন্ত্রী কোনো কথা বলেন নি। ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভা ঘিরে শনিবার রণক্ষেত্র হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। গাড়ির কাচ ভাঙা হয় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। আবার শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় এক ছাত্র জখম হন বলে অভিযোগ। শিক্ষামন্ত্রী এখন ভালো আছেন বলে তিনি জানান। পরে বলেন -"আমি রাজনৈতিকভাবে চাইলে আমাদের ওখানে যিনি রাজনৈতিকভাবে দেখাশোনা করেন, আমার কলিগ অরূপ বিশ্বাস, তাঁকে আমি বলে যেতে পারতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৫০০ ছেলে ঢোকানো কোনও ব্যাপার ছিল না। তাঁকেও আমি কিছু বলিনি। কারণ, আমার মনে হয়েছে, ওখানে অধ্যাপকরা সভা করতে যাচ্ছেন। সেখানে কেন বাইরের রাজনৈতিক লোকের সাহায্য নিয়ে ঢুকব? কিন্তু, ওখানে যে অধ্যাপকদের ধরে পেটানো হতে পারে, সেটা আমার কল্পনাতেও ছিল না।” সামগ্রিক পরিস্থিতি কেন উত্তেজিত হলো তা অবশ্য এখনো স্পষ্ট নয়।


  স্পষ্ট নয় এটাও যে কেন যাদবপুর সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হচ্ছে না! গত শনিবারের ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার গাড়ির চালক প্রচণ্ড ভয় পাচ্ছিল। এলোমেলো গাড়ি চালানোর চেষ্টা করছিল। আমি বললাম, আস্তে আস্তে চলো। ততক্ষণে গাড়ির কাচটা ভেঙে এসে আমার গায়ে পড়ে। এটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য লাগছিল।” শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় ছাত্র জখমে অভিযোগ নিয়ে ব্রাত্য বসু বলেন, “আমি গাড়ি চালাচ্ছিলাম না। আমার চালক চালাচ্ছিল। ড্রাইভার প্রাণ ভয়ে ছিল। পালাতে পারলে বাঁচে। ছাত্রের যেমন প্রাণের আশঙ্কা রয়েছে। তেমনই মন্ত্রীর গাড়ির ড্রাইভার বলে কি সে মানুষ নয়? তার প্রাণের আশঙ্কা থাকবে না?”ব্রাত্য বসুর এই কথায় অনেকটাই স্তম্ভিত নাগরিক মহল।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.