ব্রাত্য বসুর গাড়িতে চাপা পরা যাদবপুরের ছাত্র ইন্দ্রানুজ ভালো নেই
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ১ মার্চ একটা স্মরণীয় দিন হয়ে রইলো। শিক্ষামন্ত্রী নিজে সামান্য আহত হলেন। ছাত্র ইন্দ্রানুজ ব্রাত্য বসুর গাড়ির তলায় পড়ে গুরুতর আহত, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বাদ যায় নি কিছুই। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইন্দ্রানুজের সিটি স্ক্যানের রিপোর্টে পড়ুয়ার বাঁ চোখ ও মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ধরা পড়েছে। গাড়ির নীচে পড়ে যাওয়ার জেরেই সম্ভবত এতটা ভয়াবহ ভাবে আহত হন তিনি। পড়ুয়াকে দেখতে ছুটে এসেছে তার বাবাও। কিন্তু কীভাবে শিক্ষামন্ত্রীর ‘গাড়ি চাপা’ পড়লেন পড়ুয়া? এদিন ইন্দ্রানুজ জানান, ‘উনি ওয়েবকুপার বার্ষিকী বৈঠকে এসেছিলেন ঠিকই। কিন্তু ছাত্রদের সঙ্গেও নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় বসবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরেই যখন ব্রাত্য বসুকে সবাই বৈঠকে বসার জন্য ঘিরে ধরে, তখন তৃণমূলের ছাত্র নেতারা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে ও শিক্ষামন্ত্রীকে তাঁর গাড়িতে তুলে দেয়।’ বাস্তবিক সূত্রপার এখন থেকেই। শিক্ষামন্ত্রী যদি ছাত্রদের আরেকটু সময় দিতেন, তাহলে হয়তো ঘটনা এতটা গড়াতো না।
ইন্দ্রানুজ বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী গাড়িতে উঠতেই গতি বাড়ায় চালক। আমরা অনেকবার তাঁকে থামতে বলেছিলাম, কিন্তু তিনি পাল্টা গাড়ির গতিবেগ আরও বাড়িয়ে দিতে শুরু করেন। সেই সময় শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে এক ঝাঁক পড়ুয়া থাকায়, ঠেলাঠেলিতে পড়ে যাই, আর তারপরই ঘটে এমন ঘটনা।’ পড়ুয়ার দাবি, ওই সময় প্রায় ৩০-৪০ কিলোমিটার গতিবেগে চলছিল গাড়িটি। সবটা মিলিয়ে পরিস্থিতি যে মোটেই ভালো নয় তা বলবার অপেক্ষা রাখে না। আমাদের স্মরণে আছে সিঙ্গুর আন্দোলন থেকেই ব্রাত্য বসুর রাজনীতিতে আগমন।
