Type Here to Get Search Results !

ভেনেজুয়েলার মারাকাইবো হ্রদে বছরে ২৯৭ দিন প্রতি মিনিটে ২৫ -৪০ বার বাজ পড়ে

 বিজ্ঞান খবর



  ভেনেজুয়েলার মারাকাইবো হ্রদে বছরে ২৯৭ দিন প্রতি মিনিটে ২৫ -৪০ বার বাজ পড়ে




  বিশ্বের আশ্চর্যতম অজস্র ঘটনার মধ্যে এই ঘটনা সত্যি ব্যতিক্রম। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার মারাকাইবো হ্রদ সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য সামনে এসেছে, যা শুনলে আপনি চমকে উঠবেন। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা বেশ আগেই জানিয়েছিল যে, এটি বিশ্বের প্রাচীনতম হ্রদগুলির মধ্যে একটি, যা ৩৫ মিলিয়ন বছর ধরে তৈরি হয়েছে। এটি যে কোনও সাধারণ হ্রদের চেয়ে অনেক বড়। এই হ্রদটি ১৩,৫০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত। এই হ্রদের পাদদেশে অনেক কিছু পুরনো জিনিস জমে আছে, যা এই জায়গাটিকে বিশেষ করে তুলেছে। এই বিশেষ হওয়ার পিছনের সবচেয়ে বড় কারণ হল এই হ্রদের উপর সারা বছর বজ্রপাত হয়। আমেরিকান মেটিওরোলজিক্যাল সোসাইটি ২০১৬ সালের নভেম্বরে একটি গবেষণা করেছিল। সেই গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, মারাকাইবো হ্রদে বছরে প্রায় ২৯৭ দিন প্রতি মিনিটে প্রায় ২৫ থেকে ৪০ বার বজ্রপাত হয়। এই আলো এত বেশি যে স্থানীয় লোকজনের রাতে বাড়িতে আলো জ্বালানোর প্রয়োজন পড়ে না। 


 


  এর পিছনে দুটো কারণ বিজ্ঞানীরা উল্লেখ করেছেন।


১) বিজ্ঞানীর মতে, সারা বছর বজ্রপাত আর্দ্রতা, তাপমাত্রা এবং অবস্থানের কারণে হয়। হ্রদের দক্ষিণে আন্দিজ পর্বতমালা, উত্তরে ক্যারিবিয়ান সাগর। পাহাড় থেকে বয়ে আসা ঠান্ডা বাতাস সমুদ্র থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাসের সঙ্গে সংঘর্ষে এমন হয়। বিদ্যুৎ তৈরির জন্য এই জায়গাটি আদর্শ।



  ২) অনেক বিজ্ঞানী এই কারণকে মেনে নেননি। তাঁদের মতে, লাখ লাখ বছরে হ্রদে অনেক পরিবর্তন হয়েছে, যার কারণে এর তলদেশে মিথেন গ্যাস জমেছে। যখন এই গ্যাস উপরের দিকে উঠে বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের সঙ্গে মিশে যায় তখন এটি ঘটে। 



  এই ঘটনার আসল কারণ জানার জন্য অনেক গবেষণা করা হয়েছে দিনের পর দিন। এমনকি বর্তমানেও বিজ্ঞানীরা এই রহস্য বোঝার জন্য অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.