Type Here to Get Search Results !

আমরা সব সময়ই ইউক্রেনের পাশে রয়েছি" - ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

 আন্তর্জাতিক 


"আমরা সব সময়ই ইউক্রেনের পাশে রয়েছি" - ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী 



  দ্বিতীয়বার চেষ্টা করেও ভেস্তে গেছে ইউক্রেন আমেরিকার খানি চুক্তি। বাস্তবিক প্রথম মিটিংয়ে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকে রীতিমত অপমান করা হয় ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে। আর সেখান থেকেই ব্রিটেনে গেলেন তিনি। সেখানে তাঁকে সাদরে অভ্যর্থনা জানালেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার। এদিন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ২.২৬ বিলিয়ন পাউন্ডের এক ঋণের চুক্তিতেও স্বাক্ষর করেছে ব্রিটেন প্রশাসন। এই ঋণ যে ইউক্রেনীয় সেনার শক্তিবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে তা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়। চ্যান্সেলর র‍্যাচেল রিভস ও ইউক্রেনের অর্থমন্ত্রী সের্গেই মার্চেঙ্কো এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর একেবারেই ভিন্ন আবহের সাক্ষী হন জেলেনস্কি। ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনেই তাঁকে জড়িয়ে ধরেন স্টার্মার। আশ্বাস দেন, ব্রিটেনের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে কিয়েভের পাশেই। বলেন, ”আমরা সব সময়ই ইউক্রেনের পাশে রয়েছে।” স্বাভাবিক কারণেই খুশি জেলেনস্কিকে।


  ব্রিটিশ ও ইউক্রেন বৈঠকে ছিল সহযোগিতার পরিবেশ। এই সমর্থনের জন্য ব্রিটেনকে অকুণ্ঠ ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। পরে স্টার্মার তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘রাশিয়ার এই বেআইনি যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটাতে একটি পথ খুঁজে বের করতে আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’ রবিবার ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করার কথা জেলেনস্কির। এপ্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, কেবল ব্রিটেনই নয়, হোয়াইট হাউসে ‘লাঞ্ছনা’র শিকার হওয়া জেলেনস্কির পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপ-সহ বিশ্বের একাধিক দেশ। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার বলেছেন, ”আজ হোয়াইট হাউস থেকে আমরা যা দেখলাম তা গুরুতর এবং হতাশাজনক।” জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শুলৎজ বলেছেন, ”ইউক্রেনের নাগরিকদের চেয়ে বেশি করে শান্তি আর কেউ চায় না! সেই কারণেই আমরা যৌথভাবে একটি স্থায়ী এবং ন্যায়সঙ্গত শান্তির পথ খুঁজছি। ইউক্রেন জার্মানির উপর এবং ইউরোপের উপর নির্ভর করতে পারে।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.