Type Here to Get Search Results !

অক্ষয় তৃতীয়ায় দিঘায় আনন্দের উৎসব, কিন্তু কাঁদছে ১৯টি পরিবার

 অক্ষয় তৃতীয়ায় দিঘায় আনন্দের উৎসব, কিন্তু কাঁদছে ১৯টি পরিবার 



   অক্ষয় তৃতীয়ার দুপুরে উদ্বোধন করা হবে দিঘার জগন্নাথ মন্দির। সুতরাং এখন সেখানে সাজসাজ রব। চন্দননগরের আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে সৈকতনগরী দিঘার গেট। যেখান দিয়ে প্রবেশ করে পৌঁছে যাওয়া যাবে জগন্নাথধামে। চারিদিকে এখন শুধুই আলোর রোশনাই। কিন্তু অন্ধকারে কারা?‌ এই জগন্নাথ মন্দিরের জন্য জমি অধিগ্রহণে যাঁদের উচ্ছেদ হতে হয়েছে, আজ তাঁরা অন্ধকারে রয়েছেন। কারণ তাঁদের পুনর্বাসন এখনও মেলেনি। তাই তো গরিব পরিবারগুলির চোখে আজ জল। অনেক আশা ছিল, দিদির কাছে। উচ্ছেদের সময় প্রশাসন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা তাঁদের বলেছিলেন ৬ মাসের মধ্যে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু দিঘার সমুদ্রসৈকত দিয়ে অনেক জল বয়ে গেলেও জোটেনি পুনর্বাসন। ২০১৯ সালে ১১৬বি জাতীয় সড়ক সংলগ্ন ভগীব্রহ্মপুর মৌজায় ২০ একর জমি মন্দিরের জন্য চিহ্নিত করে দিঘা–শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদ। ওই কুড়ি একর জায়গার উপর প্রায় আড়াইশো কোটি টাকা খরচ করে গড়ে উঠেছে জগন্নাথধাম। এখানেই ওই গরিব পরিবারগুলি থাকত।


  আজ এই ১৯টি পরিবার ভিটেহারা। আশ্রয়হীন। তাই তো ওখানের হাসপাতালের পাঁচিলের গায়ে পলিথিন লাগিয়ে বসবাস করছেন। ওই এলাকা থেকে প্রায় ৭০টি ঝুপড়ি দোকান উচ্ছেদ করা হয় বলে অভিযোগ। এখনও মেলেনি পুনর্বাসন। গৃহহীন হয়ে রয়েছেন—বরুণ জানা, গণেশ জানা, নিতাই পাত্র, পূর্ণিমা জানা, বাপি শ্যামল, সুমিতা পাত্র সহ বহু মানুষ। উচ্ছেদ হয়ে এখানে আসা বাপি শ্যামল জানান, এখনও হুমকি মেলে এখান থেকে উঠে যাওয়ার। আর সুমিতা পাত্রের বক্তব্য, ‘মন্দির হয়েছে সেটা ভালো কথা। অনেক দর্শনার্থী আসলে পর্যটনের উন্নতি হবে। কিন্তু দিদির উপর অনেক ভরসা। তাই জানতে চাই, আমাদের কী হবে?‌ আমাদের জীবিকারছু ব্যবস্থা করলে ভালো হতো।’‌

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.