বিনোদন
দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে চাঁদের হাট
বুধবার মহাধুমধামের সঙ্গে উদ্বোধন হয়ে গেলো দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের। 'অক্ষয় তৃতীয়ার মাহেন্দ্রক্ষণ’ ছিল দুপুর ৩টে থেকে ৩টে ১০ মিনিট। ওই সময়েই মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। জগন্নাথের উদ্দেশে প্রথম সন্ধ্যারতিও করবেন তিনিই।
বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ পাথরের জগন্নাথেও প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেন ইসকনের সেবায়েতরা। একই সঙ্গে প্রাণপ্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হয় রাধাকৃষ্ণের পাথরের মূর্তিতেও। এর পর জগন্নাথের স্নান এবং বস্ত্র পরিধানের প্রক্রিয়া চলে। তার পরে ৫৬ ভোগ অর্পণ করা হয় জগন্নাথের উদ্দেশে। বিকেলে হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
ওই সময়েই দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে পৌঁছোন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। নির্দিষ্ট আসনে বসেন। মন্দিরের বাইরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। সঙ্গীত পরিবেশন করেন গায়ক-গায়িকারা। সঙ্গীত পরিবেশন করেন রাজারহাট গোপালপুরের বিধায়ক অদিতি মুন্সী। অদিতির পরে সঙ্গীত পরিবেশন করেন জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। দু’টি গান করেন তিনি। দু’টি গানেরই গীতিকার, সুরকার মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। জিতের পরে মঞ্চে ওঠেন সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে চাঁদের হাট বসেছিল দিঘায়। দিঘায় পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, নচিকেতা চক্রবর্তী, ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেব, জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, রূপঙ্কর বাগচি, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, শ্রীকান্ত মোহতা, অরিন্দম শীল, লাভলি মৈত্র, অদিতি মুন্সী, দিগন্ত বাগচী-সহ বাংলা বিনোদন দুনিয়ার খ্যাতনামী ব্যক্তিত্বেরা। মন্দির উদ্বোধনের দিন যাতে কোনও সমস্যা না হয় তার জন্য আমন্ত্রিতদের মুঠোফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
