ড্রোনে না পেরে মিসাইল নিক্ষেপ পাকিস্তানের - জবাব ভারতের
পাকিস্তানের নিক্ষেপ করা সবকটি ড্রোন ভারত ব্যর্থ করে দেবার পরে এবার পাকিস্তান মিসাইল ছোড়ে ভারতকে লক্ষ করে। ভারত সঙ্গে সঙ্গে নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছে। সতর্ক ভারত সীমান্তে একাধিক কৌশলগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে যোগ্য জবাব দিচ্ছে। এদিন শনিবার, ১০ মে, পাকিস্তান হরিয়ানার সিরসা অভিমুখে ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে। ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্রটিকে প্রতিহত করেছে। ফতেহ-২, ৪০০ কিলোমিটার পাল্লা এবং ৩৬৫ কিলোমিটার ওয়ারহেড বহন করার ক্ষমতার জন্য পরিচিত। নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ক্ষমতার কারণে একটি উল্লেখযোগ্য অস্ত্র। যদিও ভারতের S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বা সংক্ষেপে সুদর্শন চক্রের কাছে তা পেরে ওঠেনি।
এই আগ্রাসনের জবাবে পাল্টা ভারত কমপক্ষে চারটি পাকিস্তানি বিমানঘাঁটিতে লক্ষ্যবস্তু হামলা চালিয়েছে। শনিবার ভোরে, ভারতজুড়ে ২৬টি ভিন্ন স্থানে পাকিস্তানের হামলার কিছুক্ষণ পরেই এই হামলাগুলি ঘটে। ভারতের প্রতিরক্ষামূলক হামলাগুলি ছিল সরাসরি প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ। পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকায়, উভয়পক্ষই নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর মাঝেমধ্যে গুলিবর্ষণ করে চলেছে। ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি, সিয়ালকোট, লাহোর এবং পেশোয়ার সহ পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে ভারতীয় ড্রোন পৌঁছে গিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক পাকিস্তান সীমান্তের ২৬টি ভিন্ন স্থানে সন্দেহভাজন সশস্ত্র ধরনের ড্রোন সহ ড্রোন দেখা যাওয়ার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে একটি বিবৃতি জারি করেছে। বিবৃতিতে ফিরোজপুরে একটি ড্রোন হামলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে স্থানীয় একটি পরিবারের সদস্যরা আহত হয়েছেন।
