Type Here to Get Search Results !

শিক্ষক অরুন কুমার থেকে উত্তমকুমার - বিবর্তনের পথ ধরে

 বিনোদন 


শিক্ষক অরুন কুমার থেকে উত্তমকুমার - বিবর্তনের পথ ধরে 



   উত্তমকুমার আপামর বাঙালির স্মৃতিতে 'মহানায়ক' হিসাবেই বেঁচে আছেন। কিন্তু তিনি উত্তমকুমার হয়েছেন অনেক পরে, তিনি ছিলেন একজন সংগীত শিল্পী। তখন তিনি উত্তম কুমার নন, বরং অরুণ চট্টোপাধ্যায়। অভিনয় অবশ্য তখনও করতেন। তবে সিনেমার পর্দায় নয়, তখন পাড়ার থিয়েটার মঞ্চের নায়ক ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরের গিরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে গানের আসরে চলত জলসাও। আসতেন হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের বাবা শীতল মুখোপাধ্যায়। সেই জলসাতে তিনি শোনাতেন টপ্পা। ঘরোয়া সেই অনুষ্ঠানে গানও গাইতেন উত্তম কুমার। তবে মূলত, রবি ঠাকুরের গানই বেশিরভাগ গাইতেন উত্তম। বি.কম পাশ করে কলকাতা পোর্টে চাকরি করতেন উত্তম কুমার। সঙ্গে চলত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের প্রশিক্ষণ। উত্তমের গুরু ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী নিদানবন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তম সেই সময় এতটাই ভাল গান গাইতেন যে নানা জায়গা থেকে প্রশংসা পেতেন। 


  পোর্টে চাকরি করার আগে বেশ কয়েক মাস দক্ষিণ কলকাতার চক্রবেড়িয়া স্কুলে সঙ্গীত শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন উত্তম কুমার। পড়ুয়াদের মধ্যে ছিলেন দারুণ জনপ্রিয়। জানা যায়,উত্তম ও তাঁর স্ত্রী গৌরীদেবীর প্রেমের সূত্রপাত এই গানের সূত্র ধরেই। গৌরীদেবীও সুকণ্ঠের অধিকারি ছিলেন। উত্তমের মতো তিনিও রবি ঠাকুরের গান গাইতে ভালবাসতেন। শোনা যায়, গৌরীদেবীর জন্য একটি গানই বার বার গাইতেন উত্তম। তা হল, আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ…।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.