Type Here to Get Search Results !

স্বমহিমায় কেষ্ট - নতুন করে বীরভূমকে সাজিয়ে তুলছেন

 স্বমহিমায় কেষ্ট - নতুন করে বীরভূমকে সাজিয়ে তুলছেন 




  কেষ্ট মানে অনুব্রত মন্ডলের উপর গত বছর দুই নানা ঝঞ্ঝাট গেছে। জেলে থাকার সময় থেকেই দল তার থেকে দূরত্ব তৈরী করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সময় ছিলেন কেষ্টর পাশে। এই অনুব্রত এক সময় ছিলেন বীরভূমের কোর কমিটির জেলা সভাপতি। মাঝে অনেকটাই পর্ব কেটেছে ‘শূন্য হাতে’। তারপর আবার স্বমহিমা ফিরেছে ‘কেষ্টদা’। হাসি মুখে হয়েছেন কোর কমিটির আহ্বায়ক। মর্যাদা’ ফিরে পেয়ে সপ্তাহ কাটেনি। তার আগেই আহ্বায়ক হওয়ার পর রবিবার প্রথমবার কোর কমিটির বৈঠক ডাকলেন অনুব্রত। সময় ধার্য করা হয় দুপুর সাড়ে তিনটে।


   কমিটির সদস্যরা মুখোমুখি বসার আগেই আভাস পাওয়া গিয়েছিল যে সফরে এসে মমতার ছেড়ে যাওয়া বার্তা নিয়েই সেখানেও আলোচনা হবে। স্বাভাবিক নিয়মে তেমনটাই হয়েছে। এদিন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনুব্রত বলেন, “আমার পাড়ায়, আমার সমাধান ও ভাষা আন্দোলন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি সোমবার বিকাল ৪টের সময় গোটা বীরভূমে ধিক্কার মিছিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”কি কারণে এই মিছিল? কেষ্ট বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর ছবিতে কালি দেবে, ধিক্কার মিছিল তো হবেই।” উল্লেখ্য, শনিবারই এই নিয়ে সরব হয়েছিলেন কেষ্ট। মুখ্যমন্ত্রীর ছবিতে কালি লাগানো নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন তিনি। কেষ্ট বলেছিলেন, “আমরাও আগে বিরোধী ছিলাম। কখনও কারওর ছবিতে কালি লাগাইনি। বিজেপির ছবিতেও কালি লাগাই না। এটা ভদ্রতা নয়।”

  কেষ্ট মানে অনুব্রত মন্ডলের উপর গত বছর দুই নানা ঝঞ্ঝাট গেছে। জেলে থাকার সময় থেকেই দল তার থেকে দূরত্ব তৈরী করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সময় ছিলেন কেষ্টর পাশে। এই অনুব্রত এক সময় ছিলেন বীরভূমের কোর কমিটির জেলা সভাপতি। মাঝে অনেকটাই পর্ব কেটেছে ‘শূন্য হাতে’। তারপর আবার স্বমহিমা ফিরেছে ‘কেষ্টদা’। হাসি মুখে হয়েছেন কোর কমিটির আহ্বায়ক। মর্যাদা’ ফিরে পেয়ে সপ্তাহ কাটেনি। তার আগেই আহ্বায়ক হওয়ার পর রবিবার প্রথমবার কোর কমিটির বৈঠক ডাকলেন অনুব্রত। সময় ধার্য করা হয় দুপুর সাড়ে তিনটে।


   কমিটির সদস্যরা মুখোমুখি বসার আগেই আভাস পাওয়া গিয়েছিল যে সফরে এসে মমতার ছেড়ে যাওয়া বার্তা নিয়েই সেখানেও আলোচনা হবে। স্বাভাবিক নিয়মে তেমনটাই হয়েছে। এদিন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনুব্রত বলেন, “আমার পাড়ায়, আমার সমাধান ও ভাষা আন্দোলন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি সোমবার বিকাল ৪টের সময় গোটা বীরভূমে ধিক্কার মিছিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”কি কারণে এই মিছিল? কেষ্ট বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর ছবিতে কালি দেবে, ধিক্কার মিছিল তো হবেই।” উল্লেখ্য, শনিবারই এই নিয়ে সরব হয়েছিলেন কেষ্ট। মুখ্যমন্ত্রীর ছবিতে কালি লাগানো নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন তিনি। কেষ্ট বলেছিলেন, “আমরাও আগে বিরোধী ছিলাম। কখনও কারওর ছবিতে কালি লাগাইনি। বিজেপির ছবিতেও কালি লাগাই না। এটা ভদ্রতা নয়।”

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.