বিনোদন
'কোনওদিন যদি উত্তম কুমারের সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ পেতাম, সেটাই হত আমার কাছে পরমপ্রাপ্তি'- দিতিপ্রিয়া
উত্তম কুমার মানেই বাঙালির আবেগ। বাঙালির কাছে উত্তম কুমার আজও এক ও আদ্বিতীয়। প্রয়াণের পর পঁয়তাল্লিশ বসন্ত পেরিয়েছে, কিন্তু আজও আমাদের বাঙালিদের মননে উত্তম কুমার আবেগ এতটুকুও অমলিন হয়নি। মুখে গোঁজা সিগারেট, তাঁর অনস্ত্রিন অ্যাটিটিউড…, আমার চোখে উত্তম কুমার ঠিক কেমন? সেই অনুভূতি শব্দে, ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না! ওঁর হাসি, চাহনি, ক্যারিশ্ম্যাটিক ব্যক্তিত্বের অধিকারী এত সুদর্শন-সুপুরুষ, খুব বিরল। বিশেষ করে আজকের দিনে। কারও কাছে তিনি ভালো বন্ধু, কারও দাদা, কারও প্রেমিক। কিন্তু গোটা জাতির কাছে তিনি স্বপ্নের নায়ক, মহানায়ক উত্তম কুমার।
উত্তম কুমারের শতবর্ষে কলম ধরেছে আমাকেই। দিতীপ্রিয়া লেখেন, গৌরবদার (চট্টোপাধ্যায়) সঙ্গে যেহেতু আমার বহু বছরের ভালো সম্পর্ক, সেক্ষেত্রে মহানায়ক বেঁচে থাকলে দেখা করার একটা সুযোগ হত। সেটা ওঁকেও অনেকবার বলেছি যে- ‘তুমি আমাকে দেখা করাতে তো?’ ভবানীপুরের বাড়িতেও যাই আমি। আমাকে আরও বেশি করে মহানায়কের প্রতি যে বিষয়টি আকৃষ্ট করে, সেটা হল অভিনেত্রীদের সঙ্গে কী সুন্দরভাবে স্ক্রিন শেয়ার করতেন উনি। আমার ধারণা, উত্তম কুমার নারীমন খুব ভালো বুঝতেন। কোনওদিন যদি ওঁর সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ পেতাম, সেটাই হত আমার কাছে পরমপ্রাপ্তি। তাই আলাদা করে ওঁর কোনও ছবির কোনও নায়িকার জায়গায় নিজেকে ভাবতে পারিনি। তবে ‘সপ্তপদী’তে রিনা ব্রাউনের চরিত্রটি আমার খুব পছন্দের। মহানায় অভিনীত ‘সন্ন্যাসী রাজা’ সিনেমাটিও রয়েছে সেই তালিকায়। আর রোম্যান্টিক দৃশ্যে শুটিংয়ের সুযোগ হলে বোধহয় মুগ্ধ হয়ে ড্যাব ড্যাব করে ওঁর দিকেই চেয়ে থাকতাম।
