জীবনে সুখ ও শান্তি আনার জন্য 'নবরাত্রি'তে পালন করুন বিশেষ কিছু নিয়ম
বাঙালির বহুল প্রতীক্ষিত দুর্গাপুজো কড়া নাড়ছে দরজায়। তবে শারদীয়া শুধু বাঙালির নয়। সারা দেশ জুড়ে ৯ দিন ধরে পালিত হয় নবরাত্রি। শেষে দশমীতে হোলিকা দহন। যা আবার দশেরা নামে খ্যাত। কোথাও কোথাও এই উৎসব মহানবরাত্রি নামেও পরিচিত। তিথি অনুসারে এই বছর নবরাত্রি শুরু ২২ সেপ্টেম্বর থেকে। চলবে ২ অক্টোবর পর্যন্ত। বিশ্বাস, এই দশ দিন নিষ্ঠাভরে ব্রত পালন করলে, কিছু নিয়ম মেনে চললে পূরণ হয় মনবাঞ্ছা। দূর হয় সব বাধা বিপত্তি।
* নবরাত্রির উপোস –
বিশ্বাস, নবরাত্রির উপোস পালন করলে দেবী দুর্গা প্রসন্ন হন এবং ভক্তের জীবনে আনন্দ, সমৃদ্ধি, সাফল্য এবং সুস্বাস্থ্য দান করেন।
নবরাত্রির উপোস করার মানে অনাহার নয়, পরিমিত সাত্ত্বিক খাবার।
* উপোস মানে কেবল খাদ্য থেকে বিরত থাকা নয়, বরং জীবনযাপন ও আচরণবিধিরও একটি অংশ।
* সাধারণ লবণ, মাংস, ডিম, পেঁয়াজ ও রসুন এড়িয়ে চলতে হবে। শুধুমাত্র সৈন্ধক লবণ ব্যবহার করা যায়। মাদক, অ্যালকোহল ও সিগারেট থেকে বিরত থাকতে হবে।
* ভোরে উঠে স্নান সেরে পরিষ্কার পোশাক পরে দেবী দুর্গার পূজা করতে হবে। কালো রঙের পোশাক অশুভ ধরা হয়, তাই তা এড়িয়ে চলতে হবে। নবরাত্রিতে চুল কাটা, নখ কাটা বা দাড়ি কামানোকে অনুপযুক্ত বলে ধরা হয়।
* প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সন্ধ্যায় সাত্ত্বিক আহার করা উচিত। দিনে ফল, দুধ ও রস গ্রহণ করা যায়। নবরাত্রির উপবাসে দান-ধ্যান একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
নবরাত্রিতে কী খাবেন?
আটার নানা পদ: কুটু, রাজগিরা ও শিংড়ার আটা দিয়ে রুটি, পুরি ও নানা পদ রান্না হয়।
সাবুদানা: খিচুড়ি, বড়া ও ক্ষীর তৈরি করা যায়।
ফল ও দুগ্ধজাত খাদ্য: টাটকা ফল, দুধ, দই ও ঘরে তৈরি রস প্রধান খাবার।
সবজি: লাউ, আলু, পালং শাক, টমেটো, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি।
