দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় একতা দিবস
আজ সর্দার বল্লভভাই পটেলের ১৫০ তম জন্মবার্ষিকীতে দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। নয়াদিল্লিতে পটেল চকে ইতিমধ্যে বল্লভভাই পটেলের উদ্দেশে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণন। গুজরাটের কেভাদিয়ায় স্ট্যাচু অব ইউনিটিতে গিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন মোদীও। সেখান থেকেই জাতির উদ্দেশে দিয়েছেন বার্তা। এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এক সময় এই দেশের একটা বড় অংশ ছিল মাওবাদী ও নকশালদের কবলে। সেই সব মাওবাদী অধ্যুষিত অংশগুলিতে ভারতের সংবিধান চলত না, চলত তাঁদের শাসন। কিন্তু ২০১৪ সালের পর আমরা নকশাল ও নকশাল সমর্থকদের একেবারে ব্যাকফুটে ফেলে দিয়েছি। ওদের ঘরে ঢুকে শায়েস্তা করেছি। যার পরিণাম আজ দেশবাসীও দেখছে। ২০১৪ সালের আগে পর্যন্ত দেশের শতাধিক জেলা ছিল মাওবাদীদের কবলে। তবে আজ তা সেই সংখ্যা কমে এসেছে ১১-তে। যার মাত্র তিনটি জেলাই সংবেদনশীল।’
এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘স্বাধীনতার পর দেশবাসী যাঁদের হাতে দেশের দায়িত্ব সপে দিল, তাঁরাই দেশের জাতীয় চেতনাকে, আত্মীকতা, ভাবধারাকে নষ্ট করল। যে সকল প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন ওনাদের মানসিকতা, ভাবধারার বিরোধী তাঁদের বিরুদ্ধে আসরে নেমেছিল কংগ্রেস। এরা বাবা সাহেব অম্বেদকর, বল্লভভাই পটেল, এমনকি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে রেহাই দেয়নি। তাঁদের সম্মান করেনি। মানুষ জানে ওঁদের সঙ্গে কংগ্রেস কী আচরণ করেছে!’ সাম্প্রতিক অতীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিটি ভাষণেই উঠে এসেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কথা। বিশেষ করে সঙ্ঘ পরিবার শতবর্ষে পা দিতেই জাতির উদ্দেশে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনকে নানা ভাবে তুলে ধরেছেন তিনি, মত একাংশের। এবার তা ফুটে উঠল শুক্রবারের ভাষণেও।
