ত্রিপুরার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এখনও যথেষ্ট উত্তপ্ত
শনিবার একটি পুজোর চাঁদা চাওয়াকে মেন্দ্র করে প্রথম গন্ডগোলের সূত্রপাত। তারপর দ্রুত তা ছড়িয়ে পরে ও অনেকটাই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, পুজোর চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই ত্রিপুরার উনকোটি ও ফটিকরায় এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংখ্যালঘুদের একের পর এক বাড়ি, দোকান ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে একদল উন্মত্ত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, শনিবার সকালে একদল দুষ্কৃতী পরিকল্পিতভাবেই এলাকায় হামলা চালায়। আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একটি কাঠের দোকান-সহ একাধিক বাড়ির সামনে রাখা খড়ের গাদা। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি বাড়ি ও যানবাহন।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন কয়েকজন নিরীহ গ্রামবাসী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী। টিএসআর, সিআরপিএফ ও অসম রাইফেলসের জওয়ানরা এলাকা ঘিরে ফেলে। ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে বাধ্য হয়ে মৃদু লাঠিচার্জ করতে হয়। একইসঙ্গে ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে চলছে কড়া নজরদারি।
প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, পুজোর চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করেই এই হিংসার সূত্রপাত। এক গাড়িচালকের কাছে পূজোর চাঁদা দাবি করা হলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন। এরপরই শুরু হয় বাকবিতণ্ডা, যা দ্রুত ভয়াবহ আকার নেয়— অগ্নিসংযোগ, মারপিট ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই গোষ্ঠী। প্রশাসনের দাবি, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এলাকার পরিবেশ এখনও থমথমে। শান্তি বজায় রাখতে বাড়ানো হয়েছে পুলিশি টহল।
