অফবিট
নববধূর বাড়িতে বর ও বরপক্ষ তিনফুট বরফের উপর দিয়ে হেঁটে গেলো
বাংলা প্রবাদ -'কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে'। এই যেন অনেকটা তাই। ঘটনাটা হিমাচল প্রদেশের। বিস্তারিত খবর সামনে যা এসেছে, তা হলো - বিয়ের দিন তো অনেক আগেই পাকা হয়েছিল। কনে বাড়ির লোকেরা অপেক্ষা করছিল বরের জন্য। এদিকে তুষারপাতে বিপর্যস্ত গোটা হিমাচল প্রদেশ। তিন থেকে চার ফুট গভীর তুষারপাত। অধিকাংশ রাস্তা বন্ধ। এই অবস্থায় নববধূর কথা ভেবে প্রবল তুষারপাতের মধ্যেই ৭ কিলোমিটার হেঁটে কনের বাড়িতে গেলেন বর। বিয়ের পর দুর্যোগ উপেক্ষা করে একই পথে ফিরলেন বর-কনে। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও। গত কিছুদিন ধরে প্রকৃতির রোষে ভারতের হিমালয়ের কোলের রাজ্যগুলি। হাড়হিম করা শীতের মধ্যেই চলছে লাগাতার তুষারপাত। এদিকে এই সময়টায় থাকে বিয়ের তিথি-লগ্ন। এক্স হ্যান্ডলের ‘দ্যমডার্নএইচপি’ নামের একটি অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, জাঁকজমকহীন ছোটখাটো বরযাত্রী। একদম সামনে শুট-টাই পরা বর।
তরুণের মাথায় পাগরি, গলায় মালা। পাহাড় ঘেঁষা বরফে ঢাকা রাস্তা দিয়ে হেঁটে কনের বাড়িতে যাচ্ছেন তিনি। ওই ররফ ডিঙিয়েই বিয়ে করে ফেরেন তরুণ। ফেরার সময় অবশ্য সঙ্গে ছিলেন একগলা ঘোমটা দেওয়া নবপরিণীতাও। বরের হাত ধরে বরফের উপর দিয়ে হেঁটে প্রথমবার শ্বশুরবাড়িতে যান তিনি। বিয়ে ছিল ২৪ জানুয়ারি রাতে ভাইচরি গ্রামে। বর যখন সেখানে পৌঁছান গ্রামে তখন চার ফুট তুষারপাত হয়ে গিয়েছে। যদিও তার মধ্যেই আচার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। ২৫ জানুয়ারি সকালে ৭টা নাগাদ কনে ঊষা ঠাকুরকে নিয়ে নিজের বাড়ির দিকে রওনা হন গীতেশ ও তাঁর আত্মীয়েরা। জানা গিয়েছে, ফেরার পথে প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে খাড়াই পাহাড় চড়তে হয়েছে যুগলকে। চার ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে সকাল ১১টার দিকে সকলে নিরাপদে বুনালিঘর গ্রামে পৌঁছোন।
