Type Here to Get Search Results !

এখনও ধিকি ধিকিভাবে জ্বলছে আনন্দপুর খাবার গুদাম

 এখনও ধিকি ধিকিভাবে জ্বলছে আনন্দপুর খাবার গুদাম 



  এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গেলো আনন্দপুরের শুকনো খাবারের গুদাম। সাম্প্রতিককালে এমন নির্মম ঘটনা আর ঘটে নি। ঘটনার বেশ কয়েক ঘন্টার পরে সেখানে অরূপ বিশ্বাস গেলেও পৌছতে পারেন নি দমকল মন্ত্রী।সোমবার দিনভর অপেক্ষা করেও যখন চোখের সামনে সামান্য আশার আলো দেখতে পেলেন না আনন্দপুরে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া কর্মীদের পরিবারের সদস্যরা, সেই সময় ঠিক এই ভাবেই হল ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। আনন্দপুরের শুকনো খাবারের কারখানায় হওয়া অগ্নিকাণ্ড সামাল দিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে নেমেছিল দমকলবাহিনী। কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখাকে বাগে আনতে বারংবার ব্যর্থ হয়েছে তাঁরা। ২৪ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। রাত পেরিয়ে ভোর হয়েছে। এর মাঝে বেশ কিছু ঝলসে যাওয়া দেহ, কঙ্কালও উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু আগুন এখনও নেভেনি। মঙ্গলবার সকাল ৬টা। তখন আর ১২টি ইঞ্জিন নেই, রয়েছে পাঁচটি ইঞ্জিন। বারংবার যাওয়া-আসা করছে তারা, ছোটাচ্ছে জলের ফোয়ারা। কিন্তু আগুন থামছে না। ধিকিধিকি জ্বলছে আনন্দপুরের ওই নাজিরাবাদের গুদাম। ফলত মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে চলেছে বলেই আশঙ্কা। 


  সোমবার সন্ধ্য়া গড়াতেই নাজিরাবাদের গুদামে নিয়ে আসা আর্থ মুভার। বাতাসে তখনও পোড়া গন্ধ কাটেনি। ওই বিশাল গুদামের বাইরে উপস্থিত ব্যাকুল জনতা দাবি করেছিল, অগ্নিকাণ্ডের রাতে সেখানে ৩০ জনের অধিক কর্মী ছিল। হিসাব আপাতত সেই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রথমে তিন জন কর্মীর মৃত্যুর খবর জানা গেলেও, পরে তা বেড়ে হয়ে যায় ৮। এখনও নিখোঁজ ২৫ জন। আগুন নেভেনি, তাই জতুগৃহেই তাঁরা হয়তো ‘বন্দি’ পড়েছে বলে ধারণা। সোমবার সন্ধ্য়া গড়াতেই নাজিরাবাদের গুদামে নিয়ে আসা আর্থ মুভার। বাতাসে তখনও পোড়া গন্ধ কাটেনি। ওই বিশাল গুদামের বাইরে উপস্থিত ব্যাকুল জনতা দাবি করেছিল, অগ্নিকাণ্ডের রাতে সেখানে ৩০ জনের অধিক কর্মী ছিল। হিসাব আপাতত সেই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রথমে তিন জন কর্মীর মৃত্যুর খবর জানা গেলেও, পরে তা বেড়ে হয়ে যায় ৮। এখনও নিখোঁজ ২৫ জন। আগুন নেভেনি, তাই জতুগৃহেই তাঁরা হয়তো ‘বন্দি’ পড়েছে বলে ধারণা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন নিখোঁজ মানুষদের পরিবারের মানুষেরা। তাদের সঙ্গে দেখা করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.