Type Here to Get Search Results !

তারকেশ্বর মন্দিরের ইতিহাস ও গুরুত্ব

 মঠ-মন্দির



 তারকেশ্বর মন্দিরের ইতিহাস ও গুরুত্ব


  পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের অন্যতম এমটি শৈবমন্দির হলো তারকেশ্বর মন্দির। প্রায় প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্ত এই মন্দিরে এসে পুজো দেন। 


  তারকেশ্বর মন্দির, যা 'বাবা তারকনাথ' নামে পরিচিত, হুগলি জেলার একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ শিব মন্দির; এটি ১৭২৯ সালে রাজা ভরমল্ল রাও কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত, যা একটি স্বয়ম্ভু শিবলিঙ্গকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এবং আটচালা 


  স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত; শ্রাবণ মাস ও শিবরাত্রিতে এখানে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়, যারা গঙ্গাজল নিয়ে এসে শিবের মাথায় অর্ঘ্য দেন। 

প্রতিষ্ঠা ও কিংবদন্তি


  প্রতিষ্ঠাতা: ১৭২৯ সালে রাজা ভরমল্ল রাও (মল্লরাজা বিষ্ণুদাস ও তার ভাই ভারমল্লও জড়িত বলে মত আছে) এই মন্দিরটি নির্মাণ করেন।


  শিবলিঙ্গ আবিষ্কার: কিংবদন্তি অনুসারে, রাজা ভরমল্ল স্বপ্নে নির্দেশ পেয়ে জঙ্গলে একটি স্বয়ম্ভু (নিজ থেকে প্রকাশিত) শিবলিঙ্গ আবিষ্কার করেন এবং সেখানেই মন্দিরটি তৈরি করেন।


  নামকরণ: শিবলিঙ্গটি 'তারকনাথ' নামে পরিচিত, তাই মন্দিরের নাম তারকেশ্বর। 


  স্থাপত্য

শৈলী: মন্দিরটি বাংলার ঐতিহ্যবাহী 'আটচালা' স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত।


  গঠন: এর প্রধান অংশটি 'রেখা-দেউল' শৈলীর, যা বাংলায় প্রচলিত; গর্ভগৃহের সামনে একটি মণ্ডপ (প্রার্থনা কক্ষ) রয়েছে। 


  * ধর্মীয় গুরুত্ব

পূজিত দেবতা: ভগবান শিবকে এখানে 'তারকনাথ' রূপে পূজা করা হয়।


  * তীর্থস্থান: এটি ভারতের অন্যতম প্রধান হিন্দু তীর্থস্থান হিসেবে গণ্য, বিশেষত 'জাগ্ৰত দেবতা' হিসেবে পরিচিত।


  * বিশেষ পূজা: শ্রাবণ মাস (গঙ্গাজল নিয়ে আসার জন্য), মহা শিবরাত্রি এবং গাজন উৎসবে এখানে ভক্তদের ঢল নামে।


  অন্যান্য মন্দির: মন্দিরের চত্বরে দেবী কালী ও লক্ষ্মী-নারায়ণের ছোট মন্দিরও রয়েছে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.