আন্তর্জাতিক
ইজরাইলে মোদী পেলেন স্পিকার অব দ্য নেসেট’ মেডেল'
বিশ্বের দুয়ারে বার বার বন্দিতা হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার ইজরাইলের সর্বোচ্চ উপাধি -'স্পিকার অব দ্য নেসেট’ উপাধি পেলেন। শুধু তাই নয়, তিনি যখন পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা শেষ করেন, সেইসময় গোটা নেসেট করতালিতে ফেটে পড়েছিল। শুধু ইজরায়েল নয়, এর আগেও দেশ-বিদেশ থেকে মোদীর ঝুলিতে রয়েছে একাধিক সম্মান। আর ইজরায়েলের এই সর্বোচ্চ সম্মান আরও একবার প্রমাণ করল আন্তর্জাতিক মঞ্চে মোদীর গ্রহণযোগ্যতা কতখানি।ইজরায়েলের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন বক্তৃতা রাখছিলেন, সেইসময় ইজ়রায়েল সরকারের বিরোধী দল তাঁকে বয়কট করেনি। সংসদে থাকার সিদ্ধান্ত নেয় বিরোধী দলগুলি।
আর যখন প্রধানমন্ত্রী ‘আম ইরায়েল চাই’ (ইজরায়েলের জনগণ বেঁচে থাকুক) দিয়ে তাঁর বক্তৃতা শেষ করেন, তখন পুরো নেসেট করতালিতে ফেটে পড়ে। উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে সম্মান জানায়। একইসঙ্গে ‘নেসেট পদক’ প্রাপ্ত প্রথম বিশ্বনেতা হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। ইজরায়েলের পার্লামেন্টের স্পিকার আমির ওহানা প্রধানমন্ত্রীর হাতে এই সম্মান তুলে দেন। মূলত, ভারত-ইজরায়েলের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক দৃঢ় করতে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মান প্রদান করা হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ইজ়রায়েলের ঐতিহ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে কেবল মার্কিন রাষ্ট্রপতি বা পোপকে ব্যক্তিগতভাবে স্বাগত জানান। তবে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য, ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একাধিকবার এই প্রোটোকল ভঙ্গ করে তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এমনকী, মোদীকে স্বাগত জানাতে নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাষণ উপলক্ষে নেসেট ভবনটি ভারতীয় জাতীয় পতাকার রঙে আলোকিত করা হয়েছিল। এই প্রথমবার ইজ়রায়েলের সংসদ ভবনটি অন্য কোনও দেশের জাতীয় পতাকার রঙে রাঙিয়ে তোলা হয়েছিল। যা, দুটি দেশের মধ্যে বিশেষ বন্ধনের গুরুত্বকে তুলে ধরে।
.jpeg)