প্রতীক উরের সঙ্গে কোথাও কোথাও আড্ডা দিতে দেখা যাচ্ছে আরো কিছু বাম তরুণ তুর্কিকে
এই মুহূর্তে সিপিএমের মধ্যে সবচেয়ে বিতির্কিত বিষয় হলো প্রতীক উর রহমান। প্রতীক কি বাম বিদ্রোহের প্রতীক হয়ে উঠতে চলেছে? এমন প্রশ্ন কিন্তু উঠতে শুরু করেছে। শুধু পক্ককেশীরাই নন, সৃজন, দীপ্সিতার মতো দুই তরুণ তুর্কিও নাকি প্রতীক উরের পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেইমতো নাকি পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তাঁরাও। তবে কি বিধানসভা ভোটের আগে প্রতীক উর, সৃজন, দীপ্সিতারা নয়া রাজনৈতিক পরিচয় পাবেন, তা নিয়ে এখন চলছে জোর কাটাছেঁড়া। দিনকয়েক আগে একটি চিঠি ঘিরে যত জল্পনার জন্ম। ওই চিঠির মাধ্যমে প্রতীক উর রহমান নাকি দলের সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি চান। যদিও সেই চিঠির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। প্রতীক উর এই চিঠি নিয়ে নিজে মুখে কিছুই খোলসা করেননি। সেলিম, সুজনের মতো প্রাজ্ঞ নেতারাও মুখে কুলুপ এঁটেছেন। ইতিমধ্যেই শোনা যাচ্ছে, প্রতীক উর নাকি তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। সূত্রের খবর, শাসক শিবিরের এক সাংসদের সঙ্গে ইতিমধ্যে একাধিক বৈঠক সেরেছেন সিপিএমের তরুণ তুর্কি।
শুধু তাই নয়, কলকাতার নানা প্রান্তে একাধিক ‘আড্ডা’য় নাকি পাশাপাশি দেখা গিয়েছে দু’জনকেই। সূত্রের খবর, সব ঠিকঠাক থাকলে হয়তো চলতি সপ্তাহেই শিবির বদল করতে পারেন প্রতীক উর। যদিও এখনও নিশ্চিতভাবে ঘাসফুল শিবির কিংবা প্রতীক উরের তরফে কিছু জানানো হয়নি। তবে প্রতীক উরের ‘বিদ্রোহে’ যে আলিমুদ্দিনের অভ্যন্তরে টালমাটাল শুরু হয়েছে, তার কিছুটা আঁচ পেয়েছেন রাজনৈতিক কারবারিরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দলবদল প্রায় নিশ্চিত হওয়ায় প্রতীক উরে মন উঠেছে বামনেতাদের। সে কারণেই প্রায় ‘ঘরছাড়া’ তরুণ তুর্কিকে নিয়ে আর ভাবতেই আগ্রহী নন বর্ষীয়ানরা। তাই নাকি বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে চলা সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে আলাদা করে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না প্রতীক উরকে।
