তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা মোদীর - শুভেচ্ছা জানালো আমেরিকাও
শেখ হাসিনার স্পষ্ট অভিযোগ ছিল বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সাম্রাজ্যর পতনের পিছনে উস্কানি ছিল আমেরিকার। সেই তথ্য সত্যি না মিথ্যা তা জানিনা। কিন্তু নতুন সরকার গঠনের আগেই আমেরিকা সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। শুভেচ্ছা জানিয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ী হতে চলেছে বিএনপি। গণনায় এমন ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই বিভিন্ন দেশ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছোচ্ছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে প্রথমে ইংরেজি এবং পরে বাংলায় একটি পোস্ট করে তারেককে ‘আন্তরিক অভিনন্দন’ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই দুই পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপি-র নির্ণায়ক জয়ে নেতৃত্বে দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।”
ভারত-বাংলাদেশ বহুমুখী সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে তারেককে একসঙ্গে কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী লেখেন, “আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে মজবুত করার জন্য এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।” একই সঙ্গে মোদী লেখেন, “গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে ভারত তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।”
তারেকের কাছ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও বেশ বোঝা যাচ্ছে - ভারত বিরোধিতায় যে উগ্রতা জামাত চায়, সেই উগ্রতা কখনোই বিএনপি চাইবে না।
অন্য দিকে, ‘ঐতিহাসিক বিজয়ে’র জন্য তারেককে ধন্যবাদ জানিয়েছে আমেরিকাও। শুক্রবার সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের তরফ থেকে সমাজমাধ্যমে বাংলা এবং ইংরেজিতে পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়েছে, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা।” তারেকের সঙ্গে কাজ করার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন।
