দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের প্রার্থী তালিকা ঠিক করে ফেলেছে তৃণমূল
যখন বিরোধীদল নিজেদের গুছিয়ে উঠতে পারে নি তখন,শাসকদল তৃণমূল মোটামুটি তাদের খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রায় ঠিক করে ফেলেছে। বিশেষ করে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি দক্ষিণবঙ্গের প্রার্থী তালিকা একরকম প্রস্তুত। পরে পরিস্থিতি অনুযায়ী সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। প্রার্থী তালিকা গঠনের ক্ষেত্রে মমতা ও অভিষেক অন্য কারোর উপর বিশেষ ভরসা করেন নি বলেই খবর। কলকাতা সংলগ্ন দুই জেলা উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। উত্তর ২৪ পরগনায় আসন সংখ্যা ৩৩টি। শাসক শিবির সূত্রে খবর, এখানকার আসনগুলিতে প্রার্থী বদলের সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। ব্যতিক্রম বারাসত আসনটি। এখানকার তিনবারের তারকা বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী নিজেই আর লড়তে চান না বলে জানিয়েছেন। তাঁর আবেদন মেনে দল বারাসতের রণাঙ্গনে অন্য কাউকে এগিয়ে দিতে চলেছে বলে খবর। সুজিত বসু, মদন মিত্র, নির্মল ঘোষরা লড়বেন নিজেদের আসনেই।
অন্যদিকে, কলকাতা সংলগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনার আসনগুলি – যাদবপুর, সোনারপুর, বারুইপুরে পরীক্ষীত, সফল প্রার্থীরাই ফের লড়তে চলেছেন। কসবায় জাভেদ খানের প্রার্থীপদ প্রায় নিশ্চিত। তবে ব্যতিক্রম ভাঙড়। শাসক শিবিরের হাতছাড়া এই একটিমাত্র আসনে এবার অভিজ্ঞ মুখ আনা হতে পারে। এই জেলায় কয়েকজন যুব নেতা প্রার্থী হতে পারেন। রাজ্য রাজনীতিতে অত্যন্ত হাইভোল্টেজ কেন্দ্র পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আসন নন্দীগ্রামে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে প্রার্থী বাছতে চলেছে তৃণমূল। শোনা যাচ্ছে, এবার সেখানে ঘাসফুলের হয়ে লড়াইয়ের সুযোগ পাবেন কোনও ভূমিপুত্র। এই জেলায় আসন বদল হতে পারে চণ্ডীপুরের তারকা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর। পটাশপুর থেকে উত্তম বারিককে অন্য আসনে প্রার্থী করা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে খবর। রামনগর থেকে অখিল গিরি প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে। হলদিয়া থেকে ঘাসফুল শিবিরের হয়ে লড়তে পারেন দলবদল করে আসা তাপসী মণ্ডল।
