পারফর্মেন্স রিটার্নএর উপরেই নির্ভর করেই পাবে পৌরসভার টিকিট - স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন ফিরহাদ হাকিম
পৌরসভার এক একটা ওয়ার্ড ধরে ধরে বিশ্লেষণ করা হবে। যেখানে চাহিদা অনুযায়ী তৃণমূল ভোট পাবে না, সেখানে তাকে আর প্রার্থী করা হবে না। স্পষ্ট বার্তা দিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। দলীয় সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচনে কে কতটা সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন, কোন কাউন্সিলার নিজের এলাকায় দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কতটা প্রচার চালালেন, এমনকি কোন বুথে কত লিড পাওয়া গেল, সব কিছুই খুঁটিয়ে বিশ্লেষণ করা হবে। এই ‘পারফরম্যান্স রিপোর্ট’-এর ওপরই নির্ভর করবে ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলারের রাজনৈতিক ভাগ্য। কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলাতেও একই ছবি দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রার্থীরা নিজেদের এলাকায় কাউন্সিলারদের নিয়ে বৈঠক করছেন। সেই বৈঠক থেকেই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে, প্রচারে ঢিলেমি চলবে না, প্রত্যেককে সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নামতে হবে।
এবছর দল স্পষ্ট বলেছেন, ভালো রেজাল্ট পেলেই পরবর্তী নির্বাচনে কাউন্সিলারের টিকিট পাবেন তারা। দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের বার্তা অত্যন্ত স্পষ্ট ও কড়া। সূত্রের দাবি, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই নির্বাচনে কাউন্সিলারদের কাজই হবে তাঁদের আগামী রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মাপকাঠি। যাদবপুর,রাসবিহারী, কাশীপুর-বেলগাছিয়া সহ একাধিক কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই এই নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রচারের ধরন, বুথভিত্তিক ফলাফল এবং সংগঠনের সক্রিয়তা, সবই মূল্যায়নের আওতায় আসবে।
উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের পরই চলতি বছরের শেষে কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই ভোট কার্যত কাউন্সিলারদের জন্য ‘লিটমাস টেস্ট’। যারা এই পরীক্ষায় ভালো ফল করবেন, তাঁরাই পুরভোটে দলের টিকিট পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন।