Type Here to Get Search Results !

ভারতের এই গ্রামগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই হোলি খেলা হয় না - কিন্তু কেন?

 ধর্মের খবর 



  দেশজুড়ে আবির, গুলাল আর রঙের উৎসবে মাতোয়ারা সাধারণ মানুষ। পাড়ায় পাড়ায় চলছে কোলাকুলি আর হুল্লোড়। কিন্তু ভারতের মানচিত্রেই এমন কিছু গ্রাম রয়েছে, যেখানে হোলির দিন আনন্দের বদলে বিরাজ করে পিনপতন নিস্তব্ধতা। 


  * উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগ জেলার কুরঝাঁ এবং কুইলি গ্রামে গত দেড়শ বছর ধরে হোলির কোনও রঙ লাগেনি। গ্রামবাসীর বিশ্বাস, তাঁদের আরাধ্য দেবী ‘ত্রিপুর সুন্দরী’ অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের। তিনি শোরগোল বা হুল্লোড় একদমই পছন্দ করেন না। 


  * ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলার কাসমার ব্লকের দুর্গাপুর গ্রামে এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বন্ধ হোলি খেলা। লোকশ্রুতি অনুযায়ী, প্রায় ১০০ বছর আগে হোলির দিনই এই গ্রামের রাজার ছেলের মৃত্যু হয়েছিল। পরবর্তীতে খোদ রাজার মৃত্যুও ঘটে হোলির দিনেই। মৃত্যুর আগে রাজা আদেশ দিয়ে গিয়েছিলেন যে তাঁর রাজ্যে যেন কখনও হোলি না পালিত হয়। 


  * গুজরাটের বনাসকাঁঠা জেলার রামসন গ্রামে (প্রাচীন নাম রামেশ্বর) গত ২০০ বছর ধরে রঙ খেলা হয় না। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, বনবাসকালে শ্রীরামচন্দ্র এখানে এসেছিলেন। আবার অন্য এক লোককথা বলছে, এখানকার এক অহঙ্কারী রাজার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সাধু-সন্তরা এই গ্রামকে অভিশাপ দিয়েছিলেন। সেই অভিশাপের ভয়েই আজও সেখানে হোলি পালিত হয় না।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.