Type Here to Get Search Results !

'বড়মা' বীণাপানির দেবীর তিরোধান মমতার বার্তা -'অন্যায় মানব না। লড়াই চলবে।

Uploading: 20159 of 20159 bytes uploaded.


  বৃহস্পতিবার মতুয়া সংঘের বড়মা বীণাপানি দেবীর তিরোধান দিবসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বার্তা তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। মতুয়াদের নিয়ে বিজেপি-কে নিশানা করে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘বড়মা’ বীণাপানি দেবীর তিরোধান দিবসে মতুয়া ‘অস্ত্রে’ শান তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বিজেপির চক্রান্তে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে মতুয়ারা। নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে রাজনীতির খেলা চলছে।  সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করাচ্ছে। অন্যায় মানব না। লড়াই চলবে।” মতুয়াদের নাগরিকত্ব পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। বিশেষ করে মতুয়া মহাসঙ্ঘের অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্ব প্রশ্নে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন। অনেক মতুয়া পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভারতে থাকলেও তাদের কাছে প্রাথমিক নাগরিকত্ব নথি (যেমন পুরোনো দলিল বা কাগজ) নেই।


  তাই নাগরিকত্বের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এবারের SIR-এর যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে, অধিকাংশ মতুয়া গড়ে মতুয়াদের নাম ‘বিচারাধীন’।  বসিরহাট, নদিয়া, রানাঘাট, বনগাঁ বিস্তীর্ণ এলাকায় ‘বিচারাধীন’ অসংখ্য মতুয়া।  অথচ বনগাঁ, রানাঘাট, বারাসত, গাইঘাটা মতুয়া ভোট বড় ফ্যাক্টর। প্রতিটি নির্বাচনের আগেই মতুয়াদের নাগরিকত্বের বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু এবার SIR আবহে তা আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। ২০১৯ সালে কেন্দ্র সরকার ‘Citizenship Amendment Act’ (CAA) পাশ করে। এই আইনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। ভারতীয় জনতা পার্টি দাবি করে, এই আইনের ফলে মতুয়া শরণার্থীরা সহজে নাগরিকত্ব পাবেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বলে, মতুয়ারা ইতিমধ্যেই ভারতের নাগরিক; নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই এবং CAA–র মাধ্যমে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.