Type Here to Get Search Results !

নবদ্বীপে মহাপ্রভুর ৫৪০তম আবির্ভাব তিথি উৎযাপন গৌড়ীয় মিশনের

 নবদ্বীপে মহাপ্রভুর ৫৪০তম আবির্ভাব তিথি উৎযাপন গৌড়ীয় মিশনের



  বাংলা ধর্ম ও সমাজের ক্ষেত্রে ১৪৮৬ একটি উল্লেখযোগ্য কাল। এটা মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের আবির্ভাবকাল - যা সারা বাংলা জুড়ে একটা ভাব বিপ্লব তৈরী করেছিল। ফাল্গুনী পূর্ণিমার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ৫৪০ বছর আগের কথা। চন্দ্রগ্রহণের বিশেষ সন্ধিক্ষণে নবদ্বীপধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। বৈষ্ণব সমাজের কাছে এ যেন এক অনির্বচনীয় পবিত্র তিথি! মহাপ্রভুর আবির্ভাবের সময় চলছিল চন্দ্রগ্রহণ। আর ধ্বনিত হচ্ছিল ‘হরিবোল’ ও ‘হরিনাম’ মন্ত্র। কেমন ছিল সেদিনের চালচিত্র? ইতিহাস বলছে, ১৪৮৬ সালের সেই সন্ধ্যায় যখন মহাপ্রভুর জন্ম হয়, তখন আকাশ জুড়ে ছিল চন্দ্রগ্রহণ। নবদ্বীপের অলিগলি তখন মুখরিত ছিল হরিনাম সংকীর্তনে। শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে গঙ্গাস্নান আর নামজপে মগ্ন ছিলেন আপামর মানুষ। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে মনে রেখেই এ বার গ্রহণকালীন সময়ে বিশেষ নামসংকীর্তনের আয়োজন করেছে গৌড়ীয় মিশন। মহাপ্রভুর আবির্ভাব কেবল এক মহাপুরুষের জন্ম নয়, এটি ছিল মানবসমাজে প্রেমধর্মের পুনর্জাগরণ।


  তাঁর শিক্ষা ছিল সহজ ও মানবিক। বিভেদহীন সমাজ গড়ার যে ডাক তিনি দিয়েছিলেন, আজকের অস্থির সময়ে তার প্রাসঙ্গিকতা আরও বেড়েছে। মহাপ্রভুর ৫৪০তম আবির্ভাব তিথিকে স্মরণীয় করে তুলতে এবার সেজে উঠেছে মায়াপুর-নবদ্বীপ। আগামী গৌরপূর্ণিমায় স্বরূপগঞ্জ গৌড়ীয় মিশনের উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। উৎসবের মূল আকর্ষণ মহাপ্রভুর আবির্ভাব বর্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৫৪০টি প্রদীপ নিয়ে এক বিশালাকার পদযাত্রা।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.