ব্যাপারটা বিশ্বের কাছে খুব সু খবরনয়। যে পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের জন্ম দেয়, তারাই যুদ্ধ বন্ধের কথা নিয়ে আলোচনা করছে আমেরিকা ও ইরানের সঙ্গে - বিষয়টা কিছুটা অবাক করার মতো। মাথায় রাখতে হবে, ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেই মতো ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোর উপর হামলা স্থগিত করার ঘোষণা করেছেন তিনি। আর এমন পরিস্থিতিতেই যুদ্ধ বিরতিতে পাকিস্তানের এন্ট্রি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। রয়টার্সের সূত্র এবং অ্যাক্সিওসের সংবাদদাতা বারাক রাভিদের শেয়ার করা তথ্য অনুযায়ী, দুইপক্ষকে টেবিলে আনতে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং মিশর নেপথ্যে কাজ করছে। একজন সিনিয়র ইজরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের সিনিয়র প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বৈঠক আয়োজনের জন্য যোগাযোগ চলছে।
যে পাকিস্তান রমজান মাসেও আফানিস্থানকে বার বার আক্রমন করেছে, তাদের মুখে শান্তির বার্তা ততটা ভালো লাগেনা। সেই সিনিয়র ইজরইলি কর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই আলোচনায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ওয়াশিংটনের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন।ইজরায়েল জানে তুরস্ক, মিশর এবং পাকিস্তানসহ একাধিক দেশের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চলছে। কিন্তু ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আলোচনা সংক্রান্ত দাবি এবং বহু বিষয়ে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে বলে যে ঘোষণা করেছেন, সেটা ইজরায়েলকে বিস্মিত করেছে বলে জানা গিয়েছে। এ দিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তিনি আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে ইসলামাবাদের সমর্থন জানিয়েছেন। যতদূর খবর, গত এক মাসে রমজান ও ইদ-সহ বিভিন্ন সময় তাঁদের বেশ কয়েকবার যোগাযোগ হয়েছে। এই সময় তাঁরা যুদ্ধ অবসান নিয়ে আশাও ব্যক্ত করেছেন।