এদিকে বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে নেতা হতে চাইছে পাকিস্তান। অন্যদিকে রমজান চলাকালীন আক্রমন করে বসলেন প্রতিবেশী আফগানিস্তানকে। তালিবান সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী কাবুল, কান্দাহার, পাক্তিয়া, পাক্তিকা এবং আরও কিছু এলাকায় বোমা বর্ষণ করেছে। আর এই হামলার ফলে এই সব এলাকায় বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। এমনকী নারী ও শিশুসহ কয়েকজন নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে কাবুল। এছাড়া তালিবান সরকার দাবি করেছে, খালি মরুভূমি বা জনবসতিহীন এলাকাকেও ছাড়েনি পাকিস্তান। এই সব জায়গাতেও হামলা চালানো হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশ দিনে এবং ইদের আগে এই ধরনের হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। তাতে মৃত্যু হয়েছে অনেকের। আর এই ধরনের হামলাকে মানবিক মূল্যবোধ ও নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী বলেও অভিযোগ করেছে আফগানিস্তান।
আফগানিস্তানের শাসক গোষ্ঠী ইসলামিক এমিরেট এই ঘটনার কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে। পাশাপাশি তারা জানিয়ে দিয়েছে যে, এই নির্মম আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হবে। বদলা নেওয়া হবেই। এই প্রসঙ্গে বলি, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে অনেক দিন ধরেই যুদ্ধ চলছে। সেই যুদ্ধে প্রাণ গিয়েছে অনেকের। কিন্তু তারপরও যুদ্ধ থামার নাম নেই। শেহবাজ শরিফ, আসিম মুনিরের নির্দেশে হামলা চলছে। তাতে প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। যদিও চুপ করে বসে নেই আফগানিস্তানও। তাদের পক্ষ থেকেও এর পাল্টা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। মাথায় রাখতে হবে, এই যুদ্ধে পাকিস্তানকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে তালিবান। আফগান বর্ডার ফোর্সের মুখপাত্র আবদুল্লা উকাব এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দেন আজতককে। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ১৫০ পাকিস্তানি সেনাকে গত ৫ দিনে হত্যা করা হয়েছে। ২০০ জনের বেশি সেনা আহত।