ভোটের আগেই হুমায়ূন কবীর সম্পর্কে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তৃণমূলের
তৃণমূল কবীর সম্পর্কে ভাইরাল করেছে একটা ভিডিও। ব্যাস, তৈরী হয়েছে উত্তেজনা। যে হুমায়ূন একেবারেই খবরের মধ্যে ছিল না, এবার সে চলে আসলো খবরের শিরোনামে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ সামনে আনেন তৃণমূলের তিন নেতা – কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম ও অরূপ বিশ্বাস। সেইসঙ্গে একটি ভিডিয়োও প্রকাশ করা হয়। ভিডিয়োতে এক ব্যক্তির সঙ্গে হুমায়ুনের কথোপকথন শোনা যাচ্ছে, তবে আর এক ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে না। ভিডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, ১০০০ কোটি টাকার কোনও ডিল নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ওই ব্যক্তি ও হুমায়ুনের মধ্যে। ‘সংখ্যালঘুদের বোকা বানানো খুব সহজ’, এমন কথাও শোনা যাচ্ছে হুমায়ুনের মুখে। তিনি বলছেন, ‘বাবর কী করেছিল, তা আমার জানার দরকার নেই। গোটে দেশের মুুসলিম আমার পাশে আছে, এটাই আমার উদ্দেশ্য।’
এই ভিডিয়ো নিয়েই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ফিরহাদ হাকিম বলেন, “টাকার বদলে বিজেপির কাছে ধর্মকে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এটা পাপ। এটা অন্যায়।” বলতে গিয়ে কার্যত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। একইসঙ্গে হুমায়ুনের মুখে বিজেপি নেতাদের নাম শোনা যাচ্ছে ওই ভিডিয়োতে, যা নিয়ে আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন ফিরহাদ, কুণালরা। ভিডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, হুমায়ুন বলছেন, “শুভেন্দু অধিকারী আমাকে বলেছিল দিল্লি নিয়ে যাবে, বাংলার ইলেকশন হেডের সঙ্গে দেখা করাবে। মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব আমাকে নিয়ে পিএমও-র সঙ্গে কথা বলবেন বলেছিলেন। পিএমও থেকেও বলা হয়েছিল আমার সঙ্গে থাকতে।” কুণাল ঘোষ বলেন, “হুমায়ুন যাদের নাম করেছে, তা নিয়ে আমরা তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। পিএমও-র কোন অফিসার এই কোটি টাকার ডিলের পিছনে মদত দিচ্ছেন। হুমায়ুনকে জেরা করতে হবে।” যদিও হুমায়ূন দৃশ্যরা স্বীকার করেই বক্তব্য অস্বীকার করে বলেন, গত ডিসেম্বর মাসে ওই রকম একটি জায়গায় তিনি উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু কোনো কথাই তার নয়, সবটা AI পদ্ধতিতে তার মুখে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মমতা, অভিষেক, কুনাল ও ফিরাজ হাকিমের বিরুদ্ধে ২০০০ টাকার মান হানির মামলা করবে।
