ডোমকলে তৃণমূল ছেড়ে সিপিএমে আসার ঢল পরে গেছে
আঞ্চলিক রাজনীতির মজা হচ্ছে এখানেই। কে যে কখন কোন দল ছেড়ে কোন দলে যায়, তা বলা যায় না। কেমন ঘটলো ডোমকলে। শুক্রবারের শুক্রবারের পর শনিবার আরও একটি তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল নিল সিপিআইএম। শুধু দখলই নয়, ডোমকল পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রায় ৫০০ পরিবার একযোগে তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ দেন। আর তাতেই রাজনৈতিক সমীকরণে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে।শনিবার সন্ধ্যায় ভাতশালা এলাকায় পৌঁছান সিপিআইএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে রানা। তাঁকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কর্মী-সমর্থকেরা। এরপরই তৃণমূল ছেড়ে সিপিএমে যোগদান করেন বহু পরিবার। তৃণমূলের পতাকা ছেড়ে হাতে নেন লাল ঝান্ডা। যোগদানের পরই মিষ্টিমুখ। আর তারপর ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই শুরু হয় শক্তি প্রদর্শনের মিছিল ও জনসংযোগ।
যোগদানকারীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও একাধিক অভিযোগেই তাঁরা শাসকদল ছেড়েছেন। তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল নিয়ে সিপিএম প্রার্থী বলেন, “এটা দখল নয়। এরাই এই পার্টি অফিস চালাচ্ছিলেন। তৃণমূল ছেড়ে আমাদের সঙ্গে এসেছেন। মানুষ নিজেদের লড়াই লড়ছেন। ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের কোমর ভেঙে গেল।” তৃণমূলের প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে নিশানা করে তিনি বলেন, “তৃণমূলের প্রার্থী বহিরাগত। তৃণমূল এখানে কোন জায়গায় যাচ্ছে, তিনি বুঝতে পারবেন না। তবে ডোমকলের মানুষ বুঝবেন। এটা তো ছিল ট্রেলার। পিকচার আভি বাকি হ্যায়। প্রকৃতপক্ষে যাঁরা কর্মী, তাঁদের তৃণমূল মর্যাদা দেয় না।” তারা জানান, তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আগেও সরব হয়েছিলেন তারা এবার দল ছাড়লেন।
