কালিয়াচকের ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচাপতি
বুধবার সারা দিন ধরে চলা কালিয়াচকের ঘটনা নাড়া দিয়ে গেছে সমস্ত দেশকে। মালদহের জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ করল সুপ্রিম কোর্ট। আরও নজরদারির প্রয়োজন ছিল, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।বুধবার রাতে মালদহের কালিয়াচকের জুডিশিয়াল অফিসাররা যেভাবে হেনস্থার মুখে পড়ে, বৃহস্পতিবার সকালে গোটা বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চেই এই বিষয়টির উত্থাপন হয়। কালিয়াচকের ঘটনায় প্রশাসনের প্রতি অত্যন্ত বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট। স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিজিপি-র কাছে রিপোর্ট চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিনের মামলায় রাজ্যের তরফ থেকে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল। কমিশনের তরফ থেকে ডিএস নাইডু, গোপাল শঙ্করনারায়ণ। বুধবার সন্ধ্যায় কালিয়াচকে হওয়া গোটা পরিস্থিতির বর্ণনা দেন কমিশনের আইনজীবী। সওয়াল করেন এজি তুষার মেহেতা। এপপরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে আমরা একটি চিঠি পেয়েছি। গত কাল রাতে আমাদের মধ্যে কয়েক জনকে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে জানানো হয় যে, মালদহ জেলার কালিয়াচক এলাকায় তিন জন মহিলা-সহ মোট সাত জন বিচারককে দুষ্কৃতীরা ঘেরাও করে রেখেছিল। এই ঘেরাও বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে শুরু হয়।”
ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনা প্রসঙ্গেই CJI-এর সংযোজন, “হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি তাঁর চিঠিতে জানান, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার—কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং স্বরাষ্ট্র সচিবকে ফোন করতে হয়েছিল।”পরিস্থিতি বর্ণনায় CJI বলেন, “অন্যান্য সিনিয়র বিচারপতিরা যোগাযোগ রাখছিলেন। রাত বারোটার পর তাঁরা মুক্ত হন। মুক্ত হওয়ার পর যখন তাঁরা বাড়ি যাচ্ছিলেন, তখনও তাঁদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে মারা হয় এবং পাথর বৃষ্টি হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ করার জন্য রসায়ন প্রধান বিচারপতি ডিস্ট্রিক্ট জাজদের নির্দেশ দিয়েছেন।”
