নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরে এটাই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম রাজনৈতিক সভা। তিনি উত্তরবঙ্গ দিয়ে শুরু করেছেন তাঁর সভা। নরেন্দ্র মোদী আজ সোজা তৃণমূলকে আক্রমন করেন। বিকল্প সংকল্প সভামঞ্চ থেকেও মোদীর মুখে উঠে এলে কালিয়াচক-প্রসঙ্গ। কীভাবে সেখানে বিচারব্যবস্থার ওপর আঘাত নেমে এসেছে, কীভাবে বিচারকরা আক্রান্ত, সেটা বাংলা তথা দেশের মানুষের কাছে কী বার্তা দিচ্ছে, সে প্রসঙ্গই উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর কথায়, “মালদহে যা হয়েছে, সেটা গোটা দেশ দেখেছে। দেশের মানুষ স্তম্ভিত। কীভাবে মালদহে বিচারকদেরই বন্দি করে রাখা হয়েছিল। এটা কোন সরকার, কোন প্রশাসন, কোন ব্যবস্থা। যেখানে বিচারক, সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই সুরক্ষিত নয়। বাংলার সাধারণ মানুষের সুরক্ষা এদের থেকে কীভাবে করা যায়? মালদহে যা হয়েছে, তৃণমূলের গুন্ডামি।” এই প্রসঙ্গেই মোদীর সংযোজন, “এটাই প্রমাণ করছে, এখানে জঙ্গলরাজ চলছে। তৃণমূলের সন্ত্রাসের মোকাবিলায় আপনাদের ভরসা বিজেপি। এখানে যা হচ্ছে, তাতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টকেই হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে।”
গত বুধবার কালিয়াচকে এসআইআর কাজের সময়ে কার্যত নিগ্রহের শিকার হন। অভিযোগ, কালিয়াচক-২ ব্লকের হাজার হাজার মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এই নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিতে বিক্ষোভকারীরা ব্লক অফিস ঘেরাও করে। জন মহিলা সহ মোট ৭ জন জুডিশিয়াল অফিসারকে প্রায় ৯ ঘণ্টা ব্লক অফিসের ভেতরে আটকে রাখা হয়। রাত ১টার দিকে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীরা পাথর ছুড়তে শুরু করে। এই সময়েই বিচারকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পাইলট কারের ওপর হামলা হয়। এখন মুখ্যমন্ত্রী হোক বা প্রধানমন্ত্রী - তাঁরা কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য রাখেন না মিটিংয়ে। শুধু উভয় দল উভয় দলকে নিন্দা করে যান।