Type Here to Get Search Results !

বাস্তুর নিয়ম মেনে সেই দিকে মাথা দিয়ে ঘুমান, অন্যথায় পরিবারে গোলযোগ দেখা দিতে পারে


বাস্তুর নিয়ম মেনে সেই দিকে মাথা দিয়ে ঘুমান, অন্যথায় পরিবারে গোলযোগ দেখা দিতে পারে 



  রাতে কতটা ভালো ঘুমোতে পারলেন তার উপর নির্ভর করে সারা দিন আপনি কতটা গুছিয়ে কাজ করতে পারলেন। রাতে ভালো করে ঘুমানোর পরও ক্লান্তি, খিটখিটে মেজাজ যদি আপনার পিছু না ছাড়ে তবে দোষটা ঘুমের নয় হতে পারে আপনার শোওয়ার ভুল দিকের। শুনতে অবাক লাগলেও বাস্তুশাস্ত্র বলছে, আপনি কোনদিকে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছেন তার ওপর আপনার শরীরের এনার্জি লেভেল থেকে ভাগ্য সবটাই নির্ভর করে। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, পৃথিবীর মতই আমাদের শরীরের নিজস্ব চৌম্বকীয় শক্তি বা ম্যাগনেটিক ফিল্ড রয়েছে। যখন আমরা ভুল দিকে মাথা দিয়ে শুই, তখন এই শক্তির ভারসাম্য বিগড়ে যায়। আর তার সরাসরি প্রভাব পড়ে স্নায়ুর ওপর। ফলে গভীর ঘুম তো আসেই না, উল্টে রক্তচাপ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।


  * দক্ষিণ দিকে মাথা:


প্রাচীন বাস্তু গ্রন্থগুলি বারবার একটি কথা বলে—সবার জন্য সেরা দিক হল দক্ষিণ। কেন? এর পেছনে রয়েছে অকাট্য যুক্তি। পৃথিবীর চৌম্বকীয় প্রবাহ উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে যায়। আপনি যখন দক্ষিণ দিকে মাথা রেখে ঘুমোন, তখন আপনার শরীরের এনার্জি পৃথিবীর শক্তির সঙ্গে এক লাইনে চলে আসে। এতে হার্টের ওপর চাপ কমে, ঘুম গভীর হয় এবং দীর্ঘমেয়াদী রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এমনকি একে আর্থিক সমৃদ্ধির জন্যও শুভ মনে করা হয়।


  * ছাত্রছাত্রী ও চাকরিজীবীদের জন্য মহৌষধ


যারা পড়াশোনা করছেন বা এমন কোনও কাজ করেন যেখানে প্রচুর বুদ্ধি খরচ করতে হয়, তাদের জন্য পূর্ব দিক হল আদর্শ। সূর্যোদয়ের এই দিকটি নতুন শক্তির প্রতীক। পূর্ব দিকে মাথা রেখে শুলে মনঃসংযোগ বাড়ে এবং স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। বাস্তু মতে, এটি আপনার ব্রেনকে রিচার্জ করতে দারুণ সাহায্য করে।


  * সাবধান! উত্তর দিকে মাথা ভুলেও নয়


অনেকেই না জেনে উত্তর দিকে মাথা দিয়ে ঘুমোন। বাস্তুশাস্ত্রে একে ‘ডেঞ্জার জোন’ বলা হয়েছে। উত্তর দিকে মাথা রাখলে পৃথিবীর উত্তর মেরুর চৌম্বকীয় বিকর্ষণের ফলে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা হতে পারে। এর ফলে মাথাব্যথা, অনিদ্রা এবং চরম মানসিক উদ্বেগ তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.