Type Here to Get Search Results !

আবার দাদাগিরি আমেরিকার - রাশিয়া ও ইরান থেকে ভারতের তেল কেনার উপর নিষেধজ্ঞা জারি

 আবার দাদাগিরি আমেরিকার - রাশিয়া ও ইরান থেকে ভারতের তেল কেনার উপর নিষেধজ্ঞা জারি 



  ভারত কার থেকে তেল কিনবে তা ঠিক করে দেবে ট্রাম্প? এই দাদাগিরি সব সীমা ছাড়াচ্ছে। এতদিন রাশিয়ার ইরান থেকে তেল কিনে ভারত সংকট মেটাতো। এবার আবার নতুন করে আমেরিকা নির্দেশ জারি করলো। নতুন করে এমনই আশঙ্কা-উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমেরিকার (United States) ছাড়ের পর থেকে এতদিন রাশিয়া ও ইরানের থেকে তেল (Iran and Russian Crude Oil) কিনেই আভ্যন্তরীণ তেল সংকট কাটাচ্ছিল নয়া দিল্লি। এবার সেই পথও বন্ধ হতে চলেছে। রাশিয়া ও ইরানের থেকে তেল কেনায় আবারও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে আমেরিকা। অর্থাৎ যে নির্দিষ্ট দিনের জন্য ছাড় দেওয়া হয়েছিল,তার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আমেরিকা। এদিকে, হরমুজ় নিয়েও জটিলতা কাটেনি। সেক্ষেত্রে, আবারও তেল সংকট তৈরি হতে চলেছে ভারত-সহ অন্যান্য দেশগুলিতে। এমনটাই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। 


  মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি (অর্থসচিব বা রাজস্বসচিব) স্কট বেনেট এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, ইরান ও রাশিয়ার থেকে তেল কেনায় যে ছাড় দেওয়া হয়েছিল, তার আর মেয়াদ বাড়াবে না আমেরিকা। তিনি বলেন,”আমরা রাশিয়া ও ইরানের তেলের ওপর যে সাধারণ ছাড় দিয়েছিলাম, তা রিনিউ(পুনর্নবীকরণ) করা হচ্ছে না। ১১ মার্চের আগে সমুদ্রপথে পাঠানো তেলের জন্য ছিল এই ছাড়। এর সবটুকুই ব্যবহার করা হয়ে গিয়েছে।” অর্থাৎ তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, ইরান ও রাশিয়ার থেকে আর তেল কেনা যাবে না। একইসঙ্গে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের তেল ক্রেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি বলেন,”আমরা দেশগুলোকে বলেছি, আপনারা যদি ইরানের তেল কেনেন, যদি আপনাদের ব্যাঙ্কে ইরানের টাকা থাকে, তাহলে আমরা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে প্রস্তুত।” পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। ভারত-সহ অন্যান্য দেশগুলিতে তেল সংকট দেখা দেয়। তারপর ৬ মার্চ ভারতকে রুশ তেল আমদানির অনুমতি দেয় আমেরিকা। ৩০ দিনের সাময়িক ছাড় দেওয়া হয়। এক সপ্তাহ পরে, এই শিথিলতা অন্যান্য দেশের উপরও লাগু করে আমেরিকা। রুশ তেলের পাশাপাশি ইরানের তেল কেনাতেও ছাড় দেয় আমেরিকা। ২০ মার্চ সেই নির্দেশ আসে আমেরিকার তরফে। তবে ১১ এপ্রিল সেই সময়সীমা পার হয়ে গিয়েছে। এবার কী করবে ভারত? উত্তর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.