এই 'লড়াই' মানে যুদ্ধ নয়, কিন্তু এক ইঞ্চি জমি না ছাড়ার প্রতিজ্ঞা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রবল ঝড় বৃষ্টির মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একা হঠাৎ উপস্থিত হন শাখওয়াত মেমোরিয়ালে। আর শুরু হয় উত্তেজনা। হাইভোল্টোজ ভবানীপুরের ইভিএম রয়েছে সেখানেই। প্রথমে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠলেও পরে স্ট্রং রুমের ভিতরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখানেও চলল জোর টক্কর। ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্ট্রং রুমের ভিতরে রীতিমতো পাহারা দিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী এজেন্ট। ছবি পোস্ট করে এমনই দাবি করেছেন শুভেন্দু। সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ট্র রুমের ভিতরের ছবি পোস্ট করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দেখা গেল, একদিকে বসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ঠিক মুখোমুখিই বসে রয়েছেন শুভেন্দুর নির্বাচনী এজেন্ট সূর্যনীল দাস। ছবিতে তাঁকে চিহ্নিত করে দিয়েছেন শুভেন্দু। ক্যাপশনে লেখেন, “ভবানীপুর নির্বাচনী এলাকা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী, মাননীয়াকে কোনওরকম বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে।”
শুভেন্দুর দাবি আগের ঠেকেই অনুমান করা গিয়েছিল ওই স্ট্রং রুমে মমতা যাবেন। কিন্তু তাকে অতিরিক্ত কোনো সুযোগ দেওয়া চলবে না। ক্যাপশনে লেখেন, “উনি যতই চেষ্টা চালান না কেন, কোনও রকম নিয়ম বহির্ভূত কাজ তিনি করতে পারেননি। উনি যতক্ষণ স্ট্রং রুম প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন, আমার ইলেকশন এজেন্ট অ্যাডভোকেট সূর্যনীল দাস নিজে উপস্থিত থেকে ওনাকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন যাতে উনি কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন…”। অর্থাৎ শুভেন্দু দাবি করলেন, তাঁর এজেন্টের কড়া নজরদারিতে তৃণমূল কোনও বাড়তি সুবিধা করতে পারেনি।