বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে চরম উত্তেজনা কলকাতার স্ট্রংরুমগুলো। বিশেষ করে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে। মমতার ধারণা ওখানে বিজেপির কিছু করতে চলেছে। তাই কাল বিলম্ব না করে মমতা একাই সেখানে পৌঁছে যান। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে রাত ৮ টা নাগাদ নিজেই পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পালটা শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে টানা বিক্ষোভ চলে বিজেপির। প্রায় ৪ ঘণ্টা পর, স্ট্রংরুম থেকে বেরিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে মমতা বলেন, বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ওই বিক্ষোভে নাকি উপস্থিত ছিলেন এক গুজরাটি যুবকও। মোবাইলে একটি ভিডিও দেখে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গণনাকেন্দ্রের বাইরের এলাকা ঝগড়ার জায়গা নয়। যে যুবক স্লোগান দিচ্ছেন, চেঁচামেচি করছেন, তিনি তো গুজরাট থেকে এসেছেন। এটা আমার জায়গা। চাইলে আমি ১০ হাজার লোক জড়ো করতে পারি। এটা আমার জায়গা।”
কিন্তু কে এই গুজরাটি যুবক? নিজেই ক্যামেরার সামনে মুখ খোলেন তিনি। জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম দীপ প্রজাপতি। তিনি বলেন, ‘এটা ভারত। আর আমি এই দেশের নাগরিক। আমি যেখানে খুশি যেতে পারি। পশ্চিমবঙ্গে আমার আত্মীয়র বাড়ি। আমি এখানে বেড়াতে এসেছি। পশ্চিমবঙ্গে অবস্থা সম্পর্কে আমি ভাল করেই জানি। এই পরিস্থিতি দেখে প্রতিবাদ করেছি।’ দুটি পর্বে বিধানসভা ভোট মিটতেই শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের সামনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার রাতে খোদ মুখ্যমন্ত্রী স্ট্রংরুমে পাহারায় থাকাকালীন বাইরে তৃণমূল-বিজেপির সংঘাতে উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। মুখ্যমন্ত্রীর আশঙ্কাপ্রকাশের পরেই শুক্রবার সকাল থেকে আঁটোসাঁটো করা হয় শাখাওয়াতের মেমোরিয়ালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।