Type Here to Get Search Results !

তেল রাখার জায়গা নেই ইরানের, তেল ফেলে দিচ্ছে সমুদ্রে - ব্যাপক সমুদ্র দুষনের সম্ভাবনা

 আন্তর্জাতিক 


তেল রাখার জায়গা নেই ইরানের, তেল ফেলে দিচ্ছে সমুদ্রে - ব্যাপক সমুদ্র দুষনের সম্ভাবনা 



  সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজে আমেরিকার অবরোধের ফলে কোনও ট্যাঙ্কারই পারস্য উপসাগর ছাড়তে পারছে না। অন্যদিকে, ইরানের বন্দরেও প্রবেশ করতে পারছে কোনও ট্যাঙ্কার। ফলে ইরানের খার্গ দ্বীপে যতটা তেল উৎপাদিত হচ্ছে, তার প্রায় কিছুই রপ্তানি করতে পারছে না তেহরান। তাই ফুরিয়ে যাচ্ছে তেল মজুতের স্থান। সম্প্রতি একটি উপগ্রহ চিত্রে ইরানের খার্গ দ্বীপের প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনালের কাছে সমুদ্রপৃষ্ঠে বড় বড় কালো ছোপ দেখা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, অতিরিক্ত মজুত স্থান না থাকায় হাজার হাজার ব্যারেল তেল সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ইরান। সমুদ্রপৃষ্ঠে কালো ছোপগুলি তেল ছাড়া আর কিছুই নয়।  


   ইরানের ‘প্রাণভোমরা’ হল খার্গ দ্বীপ। দৈনিক প্রায় ৩ লক্ষ ব্যারেল তেল এখানে উৎপাদিত হয়। এই দ্বীপ থেকেই ইরানের মূল ভূখণ্ডে পরিবাহিত হয় তেল। কিন্তু আমেরিকার হরমুজ অবরোধের চালে এখন ভয়ংকর সমস্যার মুখে ইরান। শুধু তা-ই নয়, মার্কিন এই  পদক্ষেপের ফলে দেখা দিয়েছে সমুদ্র সংকটও। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান যদি সত্যিই উদ্বৃত্ত তেল সমুদ্রে ফেলে, তাহলে ভয়ংকর সমুদ্র সংকট তৈরি হবে। যার প্রভাব পড়তে পারে গোটা বিশ্বে। তাঁদের দাবি, এর নেতিবাচক প্রভাব শুধুমাত্র উপসাগরীয় দেশের উপকূলীয় অংশে বসবাসকারী জনবসতির উপরই যে পড়তে পারে, তা নয়। ঘটনায় বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে ওই এলাকার সামুদ্রিক প্রাণীকুলও। পরিবেশগত বিপর্যয় যেমন অচিরেই ঘটতে পারে এবং তার ফলে সমস্যায় পড়তে পারেন হাজার হাজার মানুষ, তেমনই মাছ থেকে শুরু করে কচ্ছপ, ডলফিন, তিমি-সহ একগুচ্ছ সামুদ্রিক প্রাণীর জীবন সংকটে পড়তে পারে। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.