Type Here to Get Search Results !

অভিমানী কাঞ্চন দলকে জানালেন 'গৈরিক অভিনন্দন’

 বিনোদন 


অভিমানী কাঞ্চন দলকে জানালেন 'গৈরিক অভিনন্দন’ 



  সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেলো ভোটের আগেই। তাই স্বাভাবিক কারণেই টলিপাড়ার কাঞ্চন অভিমানী। পনেরো বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ছাব্বিশে বাংলার মসনদে মোদি। ‘পরিবর্তনের ঢেউ’য়ে প্রথমবার রাজ্যে পদ্ম ফুটল। বাংলার রাজনীতির অতীত ট্রেন্ড ঘাঁটলে দেখা যায়, পরিবর্তনের নির্বাচনে শাসক শিবির বরাবরই ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যায়। ঠিক যেমনটা ২০১১ সালে ঘটেছিল। ছাব্বিশে বিধানসভা নির্বাচনেও তার ব্যতিক্রম হল না। ম্যাজিক ফিগারের গণ্ডি পেরিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বাংলা দখল করেছে বিজেপি। আর বঙ্গের এহেন গেরুয়া সুনামিতে ‘গৈরিক অভিনন্দন’ জানিয়ে ফের চর্চায় কাঞ্চন মল্লিক। ঘাসফুল শিবিরের টিকিটে একুশের বিধানসভা ভোটে জিতে বিধায়ক পদপ্রাপ্তি ঘটেছিল অভিনেতার। কিন্তু ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ চক্রবর্তী, অদিতি মুন্সী থেকে সোহম চক্রবর্তীরা তৃণমূলের তরফে দ্বিতীয়বার টিকিট পেলেও প্রার্থী তালিকায় কাঞ্চন মল্লিকের নাম ছিল না। 


  একুশ সালে উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে রেকর্ড ভোটে জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই অভিনেতাই কিনা ছাব্বিশের নির্বাচনে ব্রাত্য। বদলে প্রার্থী হিসেবে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র শীর্ষন্ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করা হয়। যদিও গেরুয়া ঝড়ে এবার সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রস হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের। এবার বাংলায় পদ্মফুল ফুটতেই বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিস্ফোরক কাঞ্চন মল্লিক! ভোটের ফলপ্রকাশের রাত পোহাতে না পোহাতেই ফেসবুক পোস্টে অভিনেতার মন্তব্য, ‘আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা যারা নতুন সরকার গড়তে চলেছেন।

এটা মানুষের রায়। হয়তো মানুষের অনেক অভিযোগ, অনুযোগ না পাওয়ার হতাশা থেকেই মানুষ এই পরিবর্তন এনেছে। আমি আশা রাখব নতুন সরকার মানুষের পাশে থেকে কাজে থেকে সাধারণ মানুষের সমস্ত আশা পূরণ করবে। শুধু এটুকুই চাইব, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে পরিবর্তন হোক শান্তির পথ ধরে। হিংসার পথ ধরে নয়।’

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.