শ্যামাপ্রসাদের ৯৭ বছরের সহযোগী যোদ্ধা মাখনলালকে আবেগে জড়িয়ে ধরলেন মোদী
আজকের দিনটা রাজ্য বিজেপির কাছে বিশেষ আবেগের। অনেক দিক থেকেই এই দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে বাংলা বিজেপির কাছে। ঘটনাচক্রে আজই রাজ্য বিজেপির প্রবীণতম সদস্য ৯৭ বছর বয়সের মাখনলাল সরকারকে মঞ্চে উপস্থিত করা হয়েছিল। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির সবচেয়ে প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে পরিচিত। আজ বঙ্গে যখন বিজেপি শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, তখন তাঁকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মাখনলাল সরকার ছিলেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং অন্যতম পুরনো কর্মী। ১৯৫২ সালে যখন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কাশ্মীরে ভারতীয় ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের আন্দোলন করছিলেন, তখন মাখনলাল সরকার তাঁর সঙ্গে ছিলেন এবং গ্রেফতার হয়েছিলেন। দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করেছিল দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য। তখন সরকার কংগ্রেসের। বিচারালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিচারপতি বলেন ক্ষমা চাইতে। মাখনলাল বলে ক্ষমা চাইব না, কোনও অপরাধ করিনি। বিচারপতি এরপর নির্দেশ দেন, এনাকে ফার্স্ট ক্লাস টিকিট কেটে দিন, সঙ্গে ১০০ টাকা দিন।
ব্রিগেডে এদিন মোদী-শাহর উপস্থিতিতেই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী। ব্রিগেড গ্রাউন্ড এদিন আক্ষরিক অর্থেই বাঙালিয়ানায় পরিপূর্ণ। মঞ্চে আছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা প্রফুল পটেল, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা, স্মৃতি ইরানি, শিবরাজ সিংহ চৌহান, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিশ, মিঠুন চক্রবর্তী-সহ কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।
