এবার মমতার শহীদ দিবসকে অর্থহীন বলে কটাক্ষ করলো কংগ্রেস
এই মুহূর্তে মমতা আছেন, অথচ নেই। তার পাশে সামান্য কয়েকজন বিধায়ক ও সাংসদ। এদের নিয়েই তিনি শহীদ দিবস পালন করবে বলে জানিয়েছেন। দলের দীর্ঘ দশকের এই কর্মসূচি যে মমতার জন্যই এই মাত্রা পেয়েছিল সে কথাও মনে করিয়েছে প্রদেশ নেতৃত্ব। শুক্রবার দলের তরফে এই সংক্রান্ত পোস্টার প্রকাশ করে তৃণমূল সরকারের মন্ত্রী তথা তৎকালীন বাম আমলের স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্ত, যাঁর নির্দেশে গুলি চালানো হয়েছিল তাঁর ফাইল প্রকাশের দাবি জানিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। ৩৩ বছর আগে ১৯৯৩ সালে ভোটার আইডির দাবিতে যুব কংগ্রেস কর্মীদের মহাকরণ অভিযানে নির্বিচারে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় ১৩ জন দলীয় কর্মীর। এত বড় কর্মসূচির জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে জানিয়েছেন দলের ২১ জুলাই উদযাপন কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রদেশ নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী। একটি বিবৃতিতে একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরে এই কর্মসূচি আদর্শহীন ইভেন্টে পরিণত হয়েছিল, যা কংগ্রেসের মূল ভিত্তির পরিপন্থী। এবার কংগ্রেস ২৮ বছর পর সদর দপ্তর বিধান ভবনের বাইরে এসে একেবারে শহিদ মিনারে এই কর্মসূচি করছে। রাহুল গান্ধীকে এই শহিদ স্মরণে নিয়ে আসার পরিকল্পনাও রয়েছে।”
প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের কথায়, “এই কর্মসূচি শুধু শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়। একইসঙ্গে এটি সংবিধান রক্ষা, ছাত্র-যুবদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা, শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের ধারাবাহিক সংগ্রামেরও অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করবে।”
