বিরোধী শিবিরকে একহাত নিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় - রচনাকে স্পষ্ট করেই বিশ্বাস ঘাতক বললেন
তৃণমূলের ভিতরের বিভাজন এবার তীব্র হয়ে উঠছে। একপক্ষ আরেক পক্ষেকে ব্যক্তিগত আক্রমনও করছে। আর এই বিষয়ে খুবই সিদ্ধহস্ত শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তা আমরা সবাই জানি। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ দিন নিশানায় ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মিতালী বাগ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বর্ণকমল সাহার পুত্র সন্দীপন সাহা এবং জাভেদ খানও। তৃণমূলের ক্ষমতা হাত থেকে ফস্কে যেতেই সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে কয়েকজন বিক্ষুব্ধ সাংসদ NCPI-তে যোগদান করেন। সেই তালিকায় নাম আছে রচনার। আজ হুগলিতে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে সভা করতে গিয়ে কল্যাণের কটাক্ষ, “এই রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছে, শুধু কি তৃণমূলের জন্য জিতেছি? আমি তো আমার জন্যও জিতেছি। বলি শুনুন, আপনার কোনও দাম নেই। অভিনেত্রী দিদি নম্বর ১ বলে লোকে দাঁড়িয়ে ভিড় করে দেখতে গিয়েছিল। ভগবানের কী খেলা। পাপ করলে পাপের ফল দিতে হবে। দিদি নম্বর ওয়ান থেকে দু’দিনের মধ্যে তাড়িয়ে দিয়েছে। আবার তখন বলছে ওরা ভদ্রতা জানে না। আরে তুমি কোন ভদ্রতা জানো হে? তুমি বিশ্বাসঘাতক।”
সাংসদ আরও বলেন, “বড় বড় বাইট দিচ্ছে। আরে এলাকার উন্নয়ন তুমি কী করবে ভাই? তুমি তো এলাকাতেই আস না। যে এলাকাতেই ছিল না দু’বছর…। যাঁর হুগলি সংসদীয় ক্ষেত্রের ভৌগলিক জ্ঞান নেই। জানেই না হয়ত সাতটা বিধানসভার নাম বলতে পারবে না। এখন শুধু আরবানার ফ্ল্যাট, বিমানবন্দর-দিল্লি-পার্টি এর বাইরে কিছু নেই। এখন ও ডাকলে পাঁচটা লোক যাবে না। পেপারওয়ালা আর দুধওয়ালা ছাড়া কেউ যাবে না ওঁর বাড়ি।” যদিও রচনার কোনো প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত পাওয়া যায় নি।