বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্প চিনের হাতে - উদ্বিগ্ন ভারত
তিস্তা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের সমস্যা মিটছে না। এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাধা দেওয়ার জন্য দুদেশের সমস্যা মেতে নি। তাছাড়াও ওই দেশের তস্তা প্রকল্পের কাজ করার কথা ছিল ভারতের। কিন্তু নতুন সরকার সেই কাজের দায়িত্ব দিয়েছে চিনকে। স্বাভাবিক কারণেই উদ্বিগ্ন ভারত। সোমবার চিন জানিয়ে দিল, এই বিষয়ে ঢাকাকে সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর তারা। একই সঙ্গে দেশটি জোর দিয়ে বলেছে, বাংলাদেশ ও চিনের এই যৌথ প্রকল্প কোনও তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়। বিষয়টি তৃতীয় পক্ষের প্রভাবমুক্তই থাকা উচিত। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে প্রথম বিদেশ সফরে চিনে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। তখনই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ঢাকা-বেজিং কথা হয়েছিল। অন্যদিকে শেখ হাসিনা সরকার এই প্রকল্পের ভার দিয়েছিল ভারতকে। তারেক সরকার সেই সিদ্ধান্ত বদলে চিনের দ্বারস্থ। এরপর থেকেই ‘চিকেন নেক’ নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি! যেহেতু তিস্তা অববাহিকা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খুব কাছাকাছি অবস্থিত।
ঢাকা-বেজিংয়ের যৌথ উদ্যোগ নিয়ে ভারতের উদ্বেগের অন্যতম কারণ হল প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান। যদিও বেজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের উদ্বেগ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, “আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, চিন-বাংলাদেশ সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়।” তিনি আরও বলেন, “তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প। চিন এই প্রকল্পে যথাসাধ্য সাহায্য করতে প্রস্তুত।” পাশাপাশি চিনের তরফে জানানো হয়েছে, অর্থনীতি, বাণিজ্য, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জনকল্যাণ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিময় ও সহযোগিতা বাড়াতে প্রস্তুত বেজিং।