Type Here to Get Search Results !

ধর্মতলার রাস্তা মেপে দেখলেন কুনালেরা

 ধর্মতলার রাস্তা মেপে দেখলেন  কুনালেরা 



  এখন পর্যন্ত পুলিশের অনুমতি না পেলেও পূর্ণ প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ভবানীপুর তৃণমূল। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ফিতে নিয়ে পৌঁছে গেলেন কুণাল ঘোষরা। রাস্তায় বসে শুরু করে দিলেন মাপজোকও। ছুটির সকালে দৃশ্যত ধরা পড়ল এই ছবি। যা সমালোচকদের মতে, স্নায়ুর চাপ বাড়ানোই লক্ষ্য কুণালদের। বিষয়টা কী? আসলে তৃণমূলের এখন দুই শিবির। আর ২১ জুলাই কারা মূলত পালন করবে, তা নিয়েও দুই শিবিরের মধ্যেই কার্যত টানাপোড়েন। গত কয়েক বছর ধরে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই একুশে জুলাই পালন করে আসছে তৃণমূল। এখন তৃণমূলে সমান্তরালভাবে তৈরি হয়েছে ঋতব্রত শিবিরও। তাঁরাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই একুশে জুলাই পালন করতে চান। ইতিমধ্যেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে চিঠি করেছে মমতা শিবির। কিন্তু কার্যত তাঁদের ওপর স্নায়ুর চাপ বাড়াতে রবিবার সকালে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই ফিতা নিয়ে মাপার কাজ শুরু করে দিলেন কুণালরা। সাধারণত দেখা যায়, পুলিশের কাছ থেকে সভার অনুমতি পাওয়ার পরই সভাস্থল মাপজোকের কাজ শুরু হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে আগেভাগেই শুরু হয়ে গেল মাপজোক।


   ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে এদিন সকালে কুণাল ঘোষ, দোলা সেনরা ডেকরেটর্সের লোকজন নিয়ে পৌঁছে যান। শুরু করেন রাস্তার মাপ নেওয়া। তাঁদের আশা, আদালত কিংবা পুলিশ  তাঁদেরই অনুমতি দেবে।এদিকে, ঋতব্রত শিবিরও একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের সভা করতে চেয়ে আবেদনের তোড়জোড় করছে। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার কর্মীদের দেওয়া ফোনো-বার্তায় দাবি করেছিলেন, অনুমতি যেখানেই মিলবে, সেখানেই সভা করবেন তিনি। প্রয়োজন পড়লে এ বছর তিনি পাঁচ জনকে নিয়েই একুশে জুলাই পালন করবেন। বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনের সময়ে সৈনিকরা শহিদ হয়েছিলেন। সেই শহিদ তর্পণ আজও হয়। এবার কোন আগাছা-ব্যাঙাচি কে কী বলছে বলতে পারব না। আমরা নিয়মমতো আবেদন করেছি, আশা করি আবেদন পাওয়া যায়।”

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.