Type Here to Get Search Results !

বঙ্গোপসাগরে মৃত মৎস্যজীবীদের জন্য দুঃখ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

বঙ্গোপসাগরে মৃত মৎস্যজীবীদের জন্য দুঃখ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর 



  বেশ কিছুদিন নিখোঁজ থাকার পরে অবশেষে দীঘা-শঙ্করপুর থেকে ছাড়া মৎস্যজীবীদের হারিয়ে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের ট্রলার উল্টে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ ৬ মৎস্যজীবী। টানা আট দিন তল্লাশির পর ট্রলারটি বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বাঘেরচরের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মৃত মৎস্যজীবীদের পরিজনদের সমবেদনা জানালেন তিনি। একইসঙ্গে মৃতদের পরিবার ও আহতদের আর্থিক সাহায্যের কথা জানালেন। বঙ্গোপসাগরে ট্রলার উল্টে দুর্ঘটনার খবর জানতে পারার পর এদিন এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ট্রলারডুবিতে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলিকে জানাই সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক মৃতের নিকটাত্মীয়কে ২ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে ৫০,০০০ টাকা করে।”


  পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার শঙ্করপুর বন্দর থেকে গত ২ জুলাই মাছ ধরার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ‘মা কালী’ ট্রলারটি। ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপর থেকে ট্রলারের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে ৮ দিন পর ট্রলারটির খোঁজ পাওয়া যায়। রবিবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোবর্ধনপুর থানার পুলিশ, বনফতর এবং ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী বাঘের চরের কাছে ডুবো ট্রলারটি শনাক্ত করে। পরে সেটিকে উদ্ধার করে গোবর্ধনপুরের সীতারামপুরে আনা হয়। রাতভর উদ্ধারকাজ চালিয়ে ট্রলারের ভিতর থেকে ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গিয়েছে, ওই ট্রলারে মোট ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। এখনও ৬ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে আজও দিনভর তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। তবে তাঁদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.