বারুইপুর কাণ্ডে দ্রুত ৬ সদস্যের সিট গঠন
নারী নির্যাতনে শুভেন্দু সরকারের জিরো টলারেন্স। তিনি আবার তা প্রমাণ করলেন। এমন বর্বরের মত ঘটনায় কেঁপে উঠেছে সারা বাংলা। বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের মামলায় দ্রুত অ্যাকশনে পুলিশ। রবিবার ভোরে ঘটনা প্রকাশ্যে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সিট গঠন করে তদন্ত শুরু করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দুপুরেই নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই সন্ধ্যায় অ্যাডিশনাল এসপি পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে একটি ৬ সদস্যের সিট গঠন করা হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশের উপর হামলা, অবরোধ এবং অভিযুক্তকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় দু’টি স্বতপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের ১১ বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের। এই নিয়ে সকালে থেকে বারুইপুরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক অভিযুক্তকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে বিক্ষুব্ধদের বিরুদ্ধে। কুলপি রোডে নাবালিকার মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ হয়। প্রায় ঘণ্টাখানেক শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন অবরোধ চলে। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপরে হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার কথা জানতে পেরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠান তিনি।