দীঘা শঙ্করপুরের মৎস্যজীবীদের সুরক্ষার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নয়া রাজ্যে সরকারের
গত ২ জুলাই, শংকরপুর থেকে মাছ ধরতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন মৎস্যজীবীরা। গভীর সমুদ্রে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ হন ১৫ জন। এখনও পর্যন্ত ১১ জনের দেহ উদ্ধার হয়। আজ, রবিবার মৃতদের পরিবারগুলিকে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থসাহায্য তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি। একইসঙ্গে গভীর সমুদ্রে যাওয়া মৎস্যজীবীদের আরও যাতে সুরক্ষা প্রদান করা সম্ভব হয়, তা নিয়েও সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন শুভেন্দু অধিকারী। সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ‘টু ওয়ে এমএসএস ট্রান্সপন্ডার’ মেশিন বসানোর উপরে জোর দিয়েছে মৎস্য দপ্তর। এবার সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের সুরক্ষায় কোস্ট গার্ডের সাহায্য নেওয়া হবে বলে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রয়োজনে উপকূল এলাকায় কন্ট্রোল রুম তৈরির কথাও জানান তিনি।
শুধু তাই নয়, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর এবং কোস্টাল থানাগুলিকেও উন্নত করা হবে বলে জানান তিনি। এর পরেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ”আর কি সুরক্ষা প্রদান করা যায়, সে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করলাম। প্রয়োজনে কোস্ট গার্ডের কাছ থেকে গাইডেন্স নেওয়া হবে। শুধু উন্নত প্রযুক্তি দিলেই তো হবে না। প্রয়োজন কন্ট্রোল রুম।” এই বিষয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানান, আগের সরকার এই বিষয়ে কিছুই করেনি। তবে এই সরকার করবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”কোস্টাল থানাগুলি তৈরি হয়েছে। কিন্তু সেখানে কোনও লোকজন নেই। নেই পুলিশের আধুনিক সরঞ্জাম।” তবে দক্ষ পুলিশ আগামিদিনে কোস্টাল থানাগুলিকে দেওয়া হবে বলেও জানান শুভেন্দু অধিকারী।
